ইসলাম ও আমাদের জীবন

বিভিন্ন সংবাদপত্র থেকে নেয়া কিছু লেখা …

ইসলাম ও আমাদের জীবন - বিভিন্ন সংবাদপত্র থেকে নেয়া কিছু লেখা …

চরিত্র গঠনে মহানবী (স.) এর দিক-নির্দেশনা

মানব জীবনে আখলাকের গুরুত্ব অপরিসীম। মানুষের বাহ্যিক আচার-আচরণ তার মনে গ্রোথিত মূল্যবোধ ও গুণাবলীর আলোকেই সম্পাদিত হয়। দার্শনিক ঈমাম গাজ্জালীর মতে ঃ যেমন গুণাবলী মানব মনে জাগরুক থাকে তারই প্রতিফলন তার বাহ্যিক কাজ-কর্মে প্রকাশিত হয়। এর আলোকে  বলা যায় মানুষের কোন কাজই তার মূল চিন্তা-চেতনা বহির্ভূত নয়।

বিস্তারিত পড়ুন …

ক্ষমা ও সহিষ্ণুতা মুমিনের গুণ

ইসলামে এমন কিছু মহত্ গুণ রয়েছে যা অর্জন করলে মানুষ সোনার মানুষে পরিণত হয়ে যায়। সে গুণগুলোর অন্যতম হলো ক্ষমা ও সহিষ্ণুতা। ইসলামের এই শ্রেষ্ঠ গুণের ফলে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে সর্বস্তরের মানুষ খুঁজে পেয়েছিল স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবন ও শান্তি-সুখের ঠিকানা। তাদের পরস্পরের মাঝে সৃষ্টি হয়েছিল সহানুভূতি ও ভালোবাসার মনোভাব। এটি প্রত্যেক মুমিনের অন্যতম অপরিহার্য গুণ।

বিস্তারিত পড়ুন …

তওবা – ক্ষমা প্রার্থনার গুরুত্ব

আল্লাহর ওপর ঈমান আনার অর্থ হলো তাঁর ওপর পূর্ণাঙ্গ বিশ্বাস স্থাপন করা। ঈমান আনলে তাঁর সাথে কারও শরিক করার সামান্যতম অধিকার থাকে না। বিশ্বাসে, আমলে, কথা-বার্তায় ও চিন্তায় কোনভাবে শিরক করার কোন সুযোগ থাকে না। শিরক করলে মানুষের সকল আমল বিনষ্ট হয়ে যায়, সে আর ঈমানদার থাকতে পারে না।

বিস্তারিত পড়ুন …

চরিত্র গঠনে মহানবী (স.) এর দিক-নির্দেশনা

মানব জীবনে আখলাকের গুরুত্ব অপরিসীম। মানুষের বাহ্যিক আচার-আচরণ তার মনে গ্রোথিত মূল্যবোধ ও গুণাবলীর আলোকেই সম্পাদিত হয়। দার্শনিক ঈমাম গাজ্জালীর মতে  যেমন গুণাবলী মানব মনে জাগরুক থাকে তারই প্রতিফলন তার বাহ্যিক কাজ-কর্মে প্রকাশিত হয়। এর আলোকে  বলা যায় মানুষের কোন কাজই তার মূল চিন্তা-চেতনা বহির্ভূত নয়।

বিস্তারিত পড়ুন …

প্রতি জুমায় এক আয়াত হোম-টাস্ক

একজন সাধারণ মুসল্লি হিসেবে আমি প্রতি জুমায় নিজের ও অন্যান্য মুক্তাদির জন্য খতিব বা ইমাম সাহেবের কাছে বিনীতভাবে একটি বাড়ির কাজ (হোমটাস্ক) দাবি করি। আপাতত সাধারণ এই কাজ। পরের জুমায় আলোচনার সূত্র হিসেবে আল কুরআনের যে আয়াতটি চিন্তা করা হয়েছে, তা তিনি উল্লেখ করে প্রত্যেকের সাধ্যমতো সংশ্লিষ্ট আয়াতটি অর্থসহ শিখে আসতে বলতে পারেন। পুরো সপ্তাহে একটিমাত্র আয়াতে কারিমা।

বিস্তারিত পড়ুন …

মানবতার বন্ধু হজরত মুহাম্মদ সা:

হজরত মুহাম্মদ সা:-এর আগমনপূর্ব যুগটি ছিল দলাদলি, হানাহানি ও রক্তারক্তির যুগ। মানুষে মানুষে ছিল রক্ত, বর্ণ, ভাষা ও আভিজাত্যের দুর্লঙ্ঘনীয় প্রাচীর। সমাজ ছিল তখন পশুত্ব ও পৌত্তলিকতার নিকষকালো অন্ধকারে আচ্ছাদিত। মানুষ ছিল তখন শানি-হারা, অধিকারহারা, নির্মমভাবে অত্যাচারিত ও নিপীড়িত।

বিস্তারিত পড়ুন …

মানবকল্যাণে রাসূল সা:

আল কুরআনে ঘোষণা করা হয়েছে, ‘তিনি তাঁর রাসূলকে পথনির্দেশ ও সত্য দ্বীনসহ প্রেরণ করেছেন, সব দ্বীনের ওপর তাঁকে জয়যুক্ত করার জন্য।’ আরো বলা হয়েছে,‘নিঃসন্দেহে রাসূলের মধ্যে তোমাদের জন্য অতীব উত্তম আদর্শ রয়েছে।’ (সূরা আহজাব)।

বিস্তারিত পড়ুন …

রাসুলের আদর্শ সমাজের পাঠ

রাসুলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উত্তম আদর্শ ও শিক্ষার অর্থই হচ্ছে কোনো আদর্শ সমাজের পাঠ। তাঁর শিক্ষা মানেই হচ্ছে পারস্পরিক একতা, ভ্রাতৃত্ব, সমতা, ন্যায় ও কল্যাণের মৌলিক মূল্যবোধের শিক্ষা। উজ্জ্বল ঐতিহ্যের মহত্ সম্পদকে কাজে লাগিয়ে তিনি সমাজের চেতনাকাঠামো নির্মাণ করেছেন।

বিস্তারিত পড়ুন …

বিশ্ব শান্তির দূত মুহাম্মদ (স.)

মুহাম্মদ (স.)! (মহত্ত্ব, সহানুভূতি ও বদান্যতার মাধ্যমে তিনি মানুষের হূদয় জয় করেন। উদ্দেশ্যের মহত্ত্ব, উপায় উপকরণের স্বল্পতা এবং বিস্ময়কর সফলতা এ তিনটি বিষয় যদি মানব প্রতিভার মানদণ্ড হয়, তাহলে ইতিহাসের অন্য কোনো মহামানবকে এনে মুহাম্মদ (স.) এর সাথে তুলনা করবে এমন কে আছে?)

বিস্তারিত পড়ুন …

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় মহানবী (স.)

হযরত মুহাম্মদ (স.) পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বোত্কৃষ্ট মানুষ। তিনি মানব জাতির জন্য এক মহান কল্যাণ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নেয়ামত। আল্লাহতায়ালা তাঁর রসূল (স.) সম্পর্কে বলেন— “হে রসূল (স.) আমি আপনাকে সারা জাহানের রহমত হিসেবে প্রেরণ করেছি।” (২১:১০৭)

বিস্তারিত পড়ুন …