ইসলাম ও আমাদের জীবন

বিভিন্ন সংবাদপত্র থেকে নেয়া কিছু লেখা …

ইসলাম ও আমাদের জীবন - বিভিন্ন সংবাদপত্র থেকে নেয়া কিছু লেখা …

উত্তম আদর্শ

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কোরআনে কারীমে ‘নবীরা দৃঢ়চিত্ত হয়ে থাকেন’ উপাধিতে সংজ্ঞায়িত করেছেন। বাস্তবতাও একথাই বলে দেয় যে, দুনিয়ার বুকে— দৃঢ়তা, স্থিরতা, বীরত্ব এবং হিম্মতের গুণাগুণ ও বৈশিষ্ট্য নবীদের মতো আর কারও মাঝে হতেই পারে না। বিশেষত, মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেহেতু সর্বশেষ নবী ছিলেন, তার মাধ্যমেই সমগ্র বিশ্ব জগতে হিদায়াতের আলো ছড়িয়ে দিয়ে বিশ্বকে আলোকিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, এ জন্য আল্লাহ তাআলা মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাঝে এই বৈশিষ্ট্য এই গুণাগুণ পুরো মাত্রায় প্রদান করেছিলেন, যা আমাদের চিন্তার দৃষ্টি আয়ত্তে নিতেও অক্ষম।

বিস্তারিত পড়ুন …

মিথ্যা সাক্ষ্য সম্পর্কে আল্লাহর সতর্কবাণী

false1হে ঈমানদারগণ! তোমরা সত্য সাক্ষ্য দেয়ার ব্যাপারে অটল থাকো, যদিও সে সাক্ষ্য তোমাদের নিজেদের বিরুদ্ধে, পিতামাতা অথবা নিকট-আত্মীয়ের বিরুদ্ধে হয়, অথবা ধনী বা গরিবের বিরুদ্ধে হয়। তাদের অপেক্ষা আল্লাহই বেশি কল্যাণকামী। সুতরাং তোমরা ন্যায়বিচার করো। সুতরাং প্রবৃত্তির অনুসরণ কোরো না। আর যদি পেঁচালো কথা বলো অথবা মুখ ফিরিয়ে নাও নিশ্চয়ই জেনে রেখো আল্লাহ তোমাদের সব কিছুরই খবর রাখেন। (সূরা আলে-ইমরান : ১৩৫)।

বিস্তারিত পড়ুন …

রাশিফল নয়, বিশ্বাস রাখতে হবে আল্লাহর প্রতি

নতুন বছর এলেই দেখা যায় পত্রিকা, ম্যাগাজিন বা অন্যান্য মিডিয়ায় জ্যোতিষীদের বক্তব্য, জ্যোতিষীদের চোখে বছরটি কেমন যাবে তার বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায় রাশিফলের আকর্ষণীয় বর্ণনা। অনেকেই এসব রাশিফল আগ্রহ নিয়ে পড়েন। অনেকে আরও আগ বাড়িয়ে একেবারে জ্যোতিষীর কাছে সরাসরি চলে যান ভাগ্য গণনা করাতে। অথচ ইসলামের দর্শন হলো অদৃশ্য বা গায়েব সম্পর্কে একমাত্র আল্লহাই সম্যক জ্ঞানী। আল্লাহ ছাড়া গায়েব বা ভবিষ্যত্ সম্পর্কে কেউ কিছু জানতে পারে না, বলতে পারে না।

বিস্তারিত পড়ুন …

দাওয়াতের মেহনতে খোলে রহমতের দুয়ার

আল্লাহর কোনো বান্দা যখন রাসুলের (সা.) প্রতি দরুদ পাঠ করেন তখন আল্লাহর নির্ধারিত ফেরেশতারা তা রাসুলের (সা.) কাছে পৌঁছে দেন। এজন্য আল্লাহর নির্ধারিত ফেরেশতা রয়েছে। রাসুল (সা.) অনেক খুশি হন। তার জন্য রহমতের দোয়া করেন। রাসুলের (সা.) ওপর আল্লাহ তায়ালা দরুদ পাঠ করেন।

বিস্তারিত পড়ুন …

বিশ্বাসীদের প্রতি আল কুরআনের দাবি

আল কুরআন একজন মুসলমানের কাছে পরম সম্মানীয় একটি কিতাব বা গ্রন্থ। আমাদের প্রত্যেকের ঘরে ঘরে আল কুরআনের অন্তত একটি কপি রয়েছে এবং বছরের অন্য মাসে না পারলেও রমজান মাসে অন্তত একবার তেলাওয়াতের চেষ্টা করি। কিন্তু এ আল কুরআন আমাদের কাছে কেন এসেছে বা এতে কী রয়েছে বা এর মর্মার্থ কী অথবা এর প্রতি আমাদের আচরণ কেমন হওয়া উচিতÑতা নিয়ে আমাদের চিন্তা-ভাবনা খুব কমই রয়েছে। এটা কোনো ব্যক্তির মতামত নয় বরং স্বয়ং আল্লাহর পক্ষ থেকে নাজিলকৃত তারই মতামতের সমষ্টি। আমরা যারা মুসলমান হিসেবে পরিচয় দিই স্বয়ং আল কুরআনের তাদের প্রতি কী দাবি রয়েছে তা এই কিতাব থেকে বুঝে নেয়া প্রত্যেক মুসলমানের একান্ত জরুরি।

বিস্তারিত পড়ুন …

আল্লাহর পথে দাওয়াত

তাবলিগ আরবি শব্দ। এর বাংলা অর্থ প্রচার। তাবলিগে দ্বীন অর্থ দ্বীনের প্রচার। তাবলিগ জামাত সারা বিশ্বে এ কাজটি করে চলেছে। তাবলিগ করেছেন সব নবী। আদম আ: থেকে শুরু করে সব নবীই এ কাজ করেছেন তাদের নিজ নিজ জাতির কাছে। তাবলিগ করতে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহই নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহর দ্বীন ইসলাম। এই দ্বীন ইসলামের দিকে মানুষকে আহ্বান করতে আল্লাহ নিজেই ঘোষণা করেনÑ ‘(হে নবী!) তোমার প্রতিপালক প্রভুপ্রদত্ত পথে আহ্বান করো, হিকমতের সাথে এবং সুন্দর সুন্দর উপদেশ দিয়ে।’

বিস্তারিত পড়ুন …

ক্রোধ আসে শয়তানের পক্ষ থেকে

মানবচরিত্রের একটি খারাপ দিক ক্রোধ। কারো ক্রোধ যখন মাত্রা ছাড়িয়ে যায় তখন সেটা ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ক্রোধান্বিত মানুষ বেসামাল হয়ে যায়, তখন অন্যের ওপর জুলুম করে। ক্রোধের কারণে মনের মধ্যে প্রতিশোধের আগুন জ্বলে ওঠে, তখন খুনখারাবি পর্যন্ত হয়ে যায়, ঘরসংসার ভেঙে যায়। গিবত সমালোচনার পেছনেও মানুষের ক্রোধ কাজ করে, প্রতিপক্ষের উন্নতি সহ্য হয় না। শয়তান ক্রোধের ইন্ধন জোগায়, কারণ ক্রোধ আসে শয়তানের পক্ষ থেকে। ক্রোধ নিবারণ অপরিহর্য নচেত জীবনের সমূহ বিপর্যয় অনিবার্য। এক সাহাবি রাসূল সা:-এর কাছে এসে বললেনÑ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমাকে অল্প কথায় কিছু নসিহত করুন, রাসূল সা: বললেন, ক্রোধ বর্জন করো। সাহাবি কয়েকবার বললেন, আরো নসিহত করুন। প্রত্যেকবারই রাসূল সা: বললেন, ক্রোধ বর্জন কর। (বোখারি)

বিস্তারিত পড়ুন …

কন্যা সন্তানের মর্যাদা প্রদানে ইসলাম

islam.masudkabir.comসন্তান-সন্তুতি মানুষের পরম পাওয়া। সমাজে এমন অনেক মানুষ আছে যারা সন্তানের আকাংখায় চোখের পানি ফেলে চললেও আশা পুরণ হচ্ছেনা। সন্তানের প্রতি পিতা-মাতার মহব্বতের পরিমাণ বর্ণনা শেষ হবেনা। পক্ষান্তরে মানুষের মধ্যে কেউ কেউ এতটা জঘন্য ও নিকৃষ্ট হয়ে থাকে যে, তাদের বর্বরতা ও নিকৃষ্টতা বিবেককে প্রকম্পিত করে তুলে থাকে। ইসলামের প্রাক্কালে আরবদের নিকট কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়া পিতার জন্য অপমানজনক ছিল। সেসময় পিতার নিকট কন্যা সন্তান জন্মের খবর পৌঁছলে তারা এই কন্যার পিতা হওয়াকে জঘন্য অপমান জ্ঞান করে অপমানের হাত থেকে বাঁচার চেষ্টা করতো। তাই তারা কন্যাকে মাটিতে জীবন্ত প্রোথিত করতো। এহেন অমানবিক ও জঘন্য অপরাধ আরব সমাজকে বিশ্ব দরবারে আজও নিন্দিত ও ধিক্কার দিয়ে আসছে।

বিস্তারিত পড়ুন …

সাহায্যপ্রার্থীর সাথে সদ্ব্যবহার

needy-handজবান আল্লাহ তা’আলার এক মহানিয়ামত। এর মূল্য পরিশোধ করা মানুষের পক্ষে কখনো সম্ভব নয়। এ জন্য কথা বলার আগে চিন্তা করা দরকার যে, আমার কথার ভাষা কারো জন্য বেদনাদায়ক হয় কি না।

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তা’আলা সাহায্যপ্রার্থীকে ধমক দিতে নিষেধ করেছেন। সাহায্যপ্রার্থীকে কিছু দিয়ে বিদায় করা আর দিতে না পারলে নরম ভাষায় অক্ষমতা প্রকাশ করতে বলা হয়েছে।

বিস্তারিত পড়ুন …

কোরআনের আলোকপাত : মুমিনের জীবনে জয়-পরাজয়

quranবর্তমান বিশ্বে মুসলমানরা নাজুক একটি সময় পার করছে। সমগ্র বিশ্বে মুসলমানরা আজ ভয়ানক এক সঙ্কটের জালে জড়িয়ে পড়ছে। কোথায়ও তাদের আশ্রয় নেয়ার জায়গা নেই। সব কটি মুসলিম রাষ্ট্রের ওপর একের পর এক বিপদের ঘনঘটা বিস্তার লাভ করছে। সমগ্র বিশ্বে মুসলমানরাই সবচেয়ে বেশি অপদস্ততা ও অসহায়ত্বের শিকার। অপরদিকে, কাফের, মুশরিকরা সারা বিশ্বে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে।

বিস্তারিত পড়ুন …