ইসলাম ও আমাদের জীবন

বিভিন্ন সংবাদপত্র থেকে নেয়া কিছু লেখা …

ইসলাম ও আমাদের জীবন - বিভিন্ন সংবাদপত্র থেকে নেয়া কিছু লেখা …

নারীর প্রতি অবিচার প্রতিরোধ করুন

আমাদের সমাজ নানা ব্যাধিতে আক্রান্ত। ধরা যাক যৌতুকের কথা। বর্তমান সমাজে যৌতুক একটি অভিশাপ হয়ে আছে। যৌতুকের আগুনে পুড়ে ছারখার হচ্ছে বহু নারীর জীবন, বহু পরিবার ও সন্তান। যৌতুকের এ প্রথা এসেছে হিন্দু ধর্ম থেকে। হিন্দু ধর্মমতে মেয়েরা বাবার ত্যাজ্য সম্পত্তিতে কোনো ধরনের অংশ পায় না। বিয়ের সময় যা উশুল করে নিতে পারে। এভাবে এ প্রথা আমাদের মুসলিম সমাজেও সংক্রমিত হয়েছে।
নারীর প্রতি নির্যাতন ও অবিচার আমাদের সমাজে মারাত্মক ব্যাধি হয়ে দেখা দিয়েছে। ফলে পারিবারিক ও সামাজিক শৃঙ্খলা আজ হুমকির মুখে। এর পরিণতি খুবই ভয়াবহ।

বিস্তারিত পড়ুন …

আমাদের নামাজ যেন হয় জীবন্ত

নামাজ ইসলামের একটি মহান ইবাদত। ঈমানের পরই এর গুরুত্ব। কেয়ামতের দিন সর্বপ্রথম এই নামাজের হিসাব নেয়া হবে। হাদিস শরীফে আছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, কেয়ামতের দিন সর্বপ্রথম বান্দার নামাজের হিসাব হবে। সেদিন যার নামাজ ঠিক থাকবে তার অন্যান্য হিসাব সহজ হবে। সুতরাং এমন একটি ইবাদত খুশু-খুযুসহ আদায় করার গুরুত্ব কতটা অপরিসীম তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

বিস্তারিত পড়ুন …

আমল-দোয়া : আসুন সবাই সত্যবাদী হই

আখলাক বা উত্তম চরিত্রই মুসলমানের আসল পরিচয়। ইবাদত যেমন দ্বীনের একটি অংশ এবং শরিয়তের অন্যতম হুকুম, তেমনি আখলাক ও সুচরিত্রও দ্বীনের একটি অংশ। ইসলামে এর গুরুত্ব অপরিসীম। মানুষ হলো আশরাফুল মাখলুকাত। তাই মানুষের জীবনে অনেক ভালো ভালো গুণ রয়েছে। সত্যবাদী ও আমানতদার হওয়া ইসলামের দৃষ্টিতে অনেক বড় গুণ। এ কারণে কোরআনে মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, হে ঈমানদাররা! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সত্যবাদীদের অন্তর্ভুক্ত হও। (সূরা তাওবা, আয়াত : ১১৯)

বিস্তারিত পড়ুন …

লোকনিন্দা ও অপবাদের পরোয়া করে না মুসলমান

লোকে কী বলবে? তারা কি এটা মেনে নেবে বা অনুমোদন করবে? তারা পরিহার করবে না-তো? এজাতীয় প্রশ্ন আমাদের সব কাজে প্রভাব বিস্তার করে বসে; বিশেষ করে সে কাজের সঙ্গে যদি জনগণের কোনোরূপ সংশ্লিষ্টতা থাকে। সামাজিক চাপ একটা বড় শক্তি, যা আমাদের মনে এই শঙ্কা জাগিয়ে তোলে যে, আমরা যেন অপমানিত না হই, সমালোচনা অথবা বিদ্রূপের শিকার না হই।

বিস্তারিত পড়ুন …

মানুষের কল্যাণে শরিয়ত

মানুষ আল্লাহ তায়ালার প্রিয়তম সৃষ্টি। প্রথম মানুষ আদম (আ.)-কে তিনি অনুপম সুন্দর অবয়বে সৃষ্টি করেছেন। কিছুদিন জান্নাতে রেখে একসময় পৃথিবীতে গড়ে দিয়েছেন তার ইহজীবনের স্থায়ী আবাস। দুনিয়ায় নির্ঝঞ্ঝাটে বসবাসের জন্য আদম ও তার বংশধরের যা কিছু প্রয়োজন, তা-ও আল্লাহ ব্যবস্থা করেছেন আদম ধরার বুকে পা রাখার আগেই। ধীরে ধীরে আদমের সন্তানরা পৃথিবীময় ছড়িয়ে পড়ল। অনুগ্রহধন্য বনু আদম যাতে তার দয়াময় প্রভুকে ভুলে না যায়—সে উদ্দেশ্যে আল্লাহ যুগে যুগে নবী-রাসুল পাঠিয়েছেন।

বিস্তারিত পড়ুন …

শিষ্টাচার ও সহনশীলতা

বিশ্বের দেশে দেশে আজ রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস ও চলমান রাজনৈতিক অসহনশীলতা এবং শিষ্টাচারবহির্ভূত রাজনৈতিক আচরণ দেখে আফসোস হচ্ছে। বিশেষ করে মুসলমানের দেশে। আল্লাহতায়ালার সৃষ্টি শ্রেষ্ঠ জীব, যাকে আশরাফুল মাখলুকাত বলে উল্লেখ করা হয়েছে, সে শ্রেষ্ঠত্বের কোনো আলামত পৃথিবীর কোথাও খুঁজে পাওয়া যায় না।

বিস্তারিত পড়ুন …

আল্লাহই মুমিনদের অভিভাবক

আল্লাহ তায়ালার অনেকগুলো গুণবাচক নামের মধ্যে একটি বিশেষ গুণবাচক নাম হলোÑ ‘আল ওয়াকিল’ অর্থাৎ ‘অভিভাবক’, ‘তত্ত্বাবধায়ক’, ‘ব্যবস্থাপক’, ‘মহাপ্রতিনিধি’। বিশ্বস্ততা, বিশ্বাসযোগ্যতা ও ভরসার ভিত্তিস্বরূপ যার ওপর নির্ভর করা যায়। নিজের যাবতীয় বিষয় যার হাতে সোপর্দ করে দেয়া যায়। পথনির্দেশনা ও সাহায্য লাভ করার জন্য যার দিকে রুজু করা যায়।

বিস্তারিত পড়ুন …

ধৈর্য ধারণের ফজিলত

বর্তমানে বাংলাদেশে রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে শুরু করে সমাজের সর্বস্তরে যে অস্থিরতা ও সহিংসতা বিরাজ করছে, তার মূলে রয়েছে ধৈর্য ও সহনশীলতার অভাব। মানুষ ধৈর্যহীন হয়ে পড়ার কারণেই যত সব অনাচার ঘটে চলেছে সমাজে। আল্লাহ পাক কুরআনে কারিমে ইরশাদ করেন, ‘আমি ধৈর্যশীলগণকে তাদের পুরস্কার তাদের শ্রম অপোও উত্তম রূপে দেবো।’

বিস্তারিত পড়ুন …

আল কুরআনে মুমিনের পরিচয়

একজন মানুষ যখন ঈমাম আনে, তখন তার ভেতর সুপ্ত মানবীয় গুণাবলি নতুন রূপ ধারণ করে মানুষটাকে সুন্দর করে। একজন মুসলমান যখন ঈমান পোষণ করে মুমিন হয়, তখন তার পুরাতন বৈশিষ্ট্যাবলি পরিবর্তন হয়ে একটি উন্নতমানের গুণাবলি তার ভেতরে পয়দা হয়। তাই বলা চলে, ঈমান মুমিন জীবনের উজ্জীবনী শক্তি। একজন মুমিনের চরিত্রে, তার চিন্তা ও কর্মে কী ধরনের গুণাবলি পয়দা হওয়া উচিত তা আল কুরআনের বিভিন্ন স্থানে বর্ণিত হয়েছে।

বিস্তারিত পড়ুন …

শ্রমজীবীর উপার্জনই শ্রেষ্ঠতর

মানুষে মানুষে বৈষম্য অতি প্রাচীনকাল থেকেই চলে আসছে। বিভিন্ন পেশা, শ্রেণী, ভাষা, লিঙ্গ, বর্ণ নানা কারণে বৈষম্য লক্ষণীয়। ইসলাম সর্বপ্রকার বৈষম্য অস্বীকার করে ঘোষণা করে মানুষ কেউ কারো দাসও নয় আবার প্রভুও নয়। সব মানুষ সমান এক আল্লাহর দাস এবং আদমের সন্তান। আর আদম মাটির তৈরী। ইসলাম-পূর্ব যুগে শ্রমজীবী মানুষ ও নারীসমাজ ছিল সবচেয়ে উপেক্ষিত। সমাজে চালু ছিল দাসপ্রথা এবং পণ্য হিসেবে তারা গণ্য হতো। হাটবাজারে গরু-ছাগলের মতো তারাও বেচাকেনা হতো।

বিস্তারিত পড়ুন …