ইসলাম ও আমাদের জীবন

বিভিন্ন সংবাদপত্র থেকে নেয়া কিছু লেখা …

ইসলাম ও আমাদের জীবন - বিভিন্ন সংবাদপত্র থেকে নেয়া কিছু লেখা …

দান-সদকার ফজিলত

দান-সদকা প্রকাশ্যেও দেয়া যায়, গোপনেও দেয়া যায়। প্রকাশ্যে দিলে অন্য লোকেরাও দানখয়রাত করতে অনুপ্রাণিত হয়, কিন্তু তাতে লোক দেখানোর মনোভাব সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। গোপনে দিলে এই আশঙ্কা থাকে না। হাদিস শরিফে আছে, প্রকাশ্যে দান-সদকাকারী উচ্চৈঃস্বরে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতকারীর মতো। আর গোপনে সদকা-খয়রাতকারী নিচুস্বরে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতকারীর মতো। এই আয়াতের তাফসিরে আল্লামা ইবনে কাসির র: লিখেন, এই আয়াত দ্বারা গোপনে সদকা-দানকারীর ফজিলত প্রমাণিত হয়। এরপর তিনি বুখারি শরিফ ও মুসলিম শরিফে সঙ্কলিত এবং হজরত আবু হুরায়রা রা: কর্তৃক বর্ণিত হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়েছেন।

বিস্তারিত পড়ুন …

আল্লাহর অপূর্ব নেয়ামত ভাষা

banglaহৃদয় নিঃসৃত সুপ্ত আবেগ প্রকাশের প্রধান মাধ্যম ‘মাতৃভাষা’। মাতৃভাষায় আমরা দৈনন্দিন জীবনে মনের ভাব প্রকাশ করি। পারিবারিক গণ্ডি পেরিয়ে রাষ্ট্রীয় জীবনের সর্বত্রই আমাদের প্রধান হাতিয়ার প্রিয় ‘মাতৃভাষা’। প্রতিটি মানুষের কাছে মাতৃভাষা সর্বাধিক প্রিয়। মাতৃভাষার প্রতি অনুরাগ-শ্রদ্ধা থাকে মায়ের প্রতি শ্রদ্ধার মতোই। অকৃত্রিম-খাঁটি ভালোবাসা থাকে মাতৃভাষার প্রতি। ‘বাংলা’ আমাদের মাতৃভাষা। জন্মের পর থেকে আবেগ-উচ্ছ্বাস, প্রেম-ভক্তি, আনন্দ-উল্লাস প্রকাশ করে আসছি প্রিয় মাতৃভাষা বাংলায়। মহান প্রভুর কাছে নীরবে নিভৃতে প্রার্থনা ও অন্তরের নিবেদন প্রকাশ করি বাংলায়। বাংলা আমাদের কাছে মায়ের মতো শ্রদ্ধাস্পদ। মাতৃভাষা বাংলাকে যথোচিত মর্যাদা দেয়া আমাদের কর্তব্য। এ ভাষার ওপরই নির্ভর করে আমাদের গোটা অস্তিত্ব।

বিস্তারিত পড়ুন …

হেরা গুহায় মুহাম্মদ সা:

বিশ্বমানবতার মুক্তির দিশারী মহানবী হজরত মুহাম্মদ সা: এই সুন্দর পৃথিবীতে আগমনের পর থেকেই বিশ্বমানবতার জন্য এমন সব কাজ শুরু করেন, যা হয়ে উঠতে থাকে অনুসরণীয় ও অনুকরণীয়। মাত্র ১৭ বা ২০ বছর বয়সে আরবদের মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে চলে আসা ভয়ঙ্কর ও মশহুর ফুজ্জারের যুদ্ধে ন্যায়ের পে অবস্থান নিয়ে মহানবী সা: সন্ধির মাধ্যমে যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটান। যুদ্ধবিগ্রহে লিপ্ত ও অন্যায়-অবিচারে নিমজ্জিত আরব জাতিকে অশান্তির দাবানল থেকে মুক্তি দিতে গিয়ে মহানবী সা: হিলফুল ফুজুল সঙ্ঘের মাধ্যমে দুর্বল ও নিপীড়িতদের নিরাপত্তা এবং সমাজ থেকে উচ্ছৃঙ্খলতা দমন ও অসহায়ের ফরিয়াদের প্রতিকারে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখেন। বিস্তারিত পড়ুন …

সুন্নত পালনের ফজিলত

sunnahসমাজ বদলের সুশীল মাধ্যম সুন্নতে নববী। আলোকিত মানুষ গড়ার শক্তিশালী মিটারগেজ। সর্বজনীন বিপ্লব যার মূল শক্তি। কারণ এখান থেকেই একমাত্র মানুষের কল্যাণে বাস্তবায়ন হয় সভ্যতার। যাচাই করা হয় সত্য-মিথ্যার। নির্ণয় করা হয় হক-বাতিলের। শরিয়তের মাপকাঠিতে মানুষের চারিত্রিক শিষ্টাচার তথা মানবিক গুণাবলিকে জীবনের প্রয়োজনে তুলে ধরতে হবে। নীতি ও আদর্শের পথ ধরে সত্যের মানদণ্ডে একটি নৈতিক রাজ্য আবিষ্কার করতে হবে। তবেই সুন্নতের চাপ পড়বে মানুষের অন্তরে, মনমননে চিন্তার বাহনে। তখনই ধীরে ধীরে মানুষের জীবন পাল্টে যাবে ১৪ শ’ বছর আগের সোনালি রঙধনুতে। যে সাম্রাজ্য বিশ্বনবীর শুভ আগমনের বরকতে উজ্জ্বল ও দীপ্তিময়তা লাভ করেছিল।

বিস্তারিত পড়ুন …

মজলুমের বন্ধু মহানবী সা:

Hz-Muhammed-SAVসব নবীর সেরা নবী হজরত মুহাম্মদ সা: ছিলেন আল্লাহ তায়ালার সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বোত্তম সৃষ্টি। তাঁর সুমহান আদর্শকেই মানবজাতির জন্য পরিপূর্ণ আদর্শরূপে মহান আল্লাহ ঘোষণা করেছেন। মহাকবি আল্লামা জামীর ভাষায় : ‘যা তাঁর পাওনা সেরূপ প্রশংসা তো সম্ভবপর নয়, সংক্ষেপে শুধু এতটুকুই বলা যায় যে, সৃষ্টিকর্তার পর তুমিই সর্বাপেক্ষা মহীয়ান, গরীয়ান।’

প্রিয় নবী সা:-এর জীবনে বহুমুখী অনন্য ও অসাধারণ গুণ-বৈশিষ্ট্যের একটি হচ্ছে তাঁর রাজনৈতিক জীবন। জীবনের এই অংশে তিনি ছিলেন অত্যন্ত সফল ও স্বার্থক। কারণ আল্লাহ তাঁকে দুনিয়াতে পাঠিয়েছিলেন বান্দাদেরকে যাবতীয় অন্যায় ও অপরাধ এবং অপশক্তির কবলমুক্ত করে তাদের দ্বারাই এই যমিনে ইসলাম কায়েম করার জন্য।

বিস্তারিত পড়ুন …

ইসলামে সন্তান লালনপালন বিধি

মানবকাননের সবচেয়ে কাক্সিত ও সুরভিত পুষ্প হচ্ছে শিশু। সংসারজীবনের আনন্দ-বেদনা, সুখ-দুঃখ সব কিছু আবর্তিত হয় শিশুকে কেন্দ্র করে। শিশুর হাসি যেমন মায়ের যাবতীয় দুঃখ দূর করে দেয়, তেমনি অনুপ্রাণিত করে বাবাকে সংসারযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তেও। বস্তুত সংসার একটি যুদ্ধত্রে। এতে জয়ী হওয়ার প্রধান প্রেরণা হচ্ছে মানবশিশু। তবে এ কথা স্মরণ রাখা চাই, সংসারের পূর্ণতা যেমন শিশুর আগমনে, তেমনি সংসারের সার্থকতা হচ্ছে শিশুর যথাযথ পরিচর্যা ও দেখভাল করার মধ্যে।

বিস্তারিত পড়ুন …

মুমিনের হাতিয়ার : দোয়া ইস্তিগফার ও ইনাবাত ইলাল্লাহ

‘দোয়া’ অর্থ ডাকা, আল্লাহকে ডাকা। ‘ইস্তিগফার’ অর্থ মাফ চাওয়া। আল্লাহর কাছে মাফ চাওয়া। আর ‘ইনাবত ইলাল্লাহ’ অর্থ আল্লাহর দিকে রুজু হওয়া। দোয়া, ইস্তিগফার ও ইনাবাত ইলাল্লাহ মুমিনের পাথেয়, ঈমানদারের সম্বল, সুখে-দুঃখে সর্বাবস্থায় তা মুমিনের অবলম্বন। মুমিন যখন সুখী তখনও আল্লাহকে ভোলে না, যখন দুঃখী তখনও আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয় না। সুখ ও শান্তি আল্লাহর তরফ থেকে আসে। মুক্তি ও বিপদ মোচনও তাঁর আদেশে হয়। তারই ফায়সালায় অবস্থার পরিবর্তন ঘটে। অতএব দোয়া সর্বাবস্থার আমল। দ্বিতীয়ত আল্লাহ-ভোলা মানুষের চিন্তায় সুখ-শান্তি, অশান্তির পরিধি খুবই সীমিত।

বিস্তারিত পড়ুন …

জ্ঞানীরাই জান্নাতে যাবে

মহানবী সা: সরাসরি আল্লাহর কাছ থেকে জিবরাইল আ:-এর মাধ্যমে স্রষ্টাপ্রদত্ত জ্ঞান আহরণ করেছেন। হেরা গুহায় ধ্যান করেছেন মানবজাতির সঙ্কট থেকে মুক্তির পথ ও পদ্ধতি নিয়ে। জ্ঞানকে সংরণের জন্য মুখস্থকরণ, অন্যকে অবহিতকরণ তথা জ্ঞানবিতরণ ও লিপিবদ্ধকরণের কৌশল অবলম্বন করেছেন। তিনি জ্ঞান অর্জনকে উৎসাহিত করতে বলেছেন : জ্ঞানার্জন করা প্রত্যেক মুসলমান নর ও নারীর জন্য ফরজ। যে ব্যক্তি জ্ঞানার্জনের উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বের হয়, সে আল্লাহর পথে রয়েছে যে পর্যন্ত না সে প্রত্যাবর্তন করে। (তিরমিজি ও দারেম, মেশকাত শরীয়া)

বিস্তারিত পড়ুন …

রোজাদারদের জন্য কিছু পরামর্শ

রমজানের এই সময়টিতে স্বভাবতই আমাদের দেহঘড়ির খাদ্য গ্রহণ প্রক্রিয়ায় বেশ কিছু পরিবর্তন আসে। এছাড়া আবহাওয়া ও শারীরিক অবস্থার কারণে রোজা রাখতে গিয়ে অনেকে নানা রকম সমস্যার সম্মুখীন হন। যদিও মানসিকভাবে শক্ত থাকলে এবং মনে ধর্মীয় আত্মবিশ্বাস থাকলে এসব সমস্যার অনেকটাই সমাধান করা যায়। তবে রোজার এ সময়টিতে কারও খাদ্যাভ্যাস যেন তার জন্য সমস্যার কারণ হয়ে না দাঁড়ায়, সেজন্য কিছু টিপস নিম্নে পত্রস্থ হলো— বিস্তারিত পড়ুন …

হালাল-উপার্জন উত্তম ইবাদত

halalইসলামে ব্যবসায়-বাণিজ্য করা একটি উত্তম কাজ। ব্যবসায় করা আল্লাহ তায়ালার নির্দেশ। এই পৃথিবীতে মানবজাতির হেদায়েতের জন্য প্রেরিত বহু নবী-রাসূল ব্যবসায় করেছেন।  সাহাবায়ে কেরাম, তাবে-তাবেইন, আউলিয়া কেরামেরা ব্যবসায় করেছেন। আমাদের হানাফি মাজহাবের ইমাম হজরত ইমাম আবু হানিফাও র: একজন বিখ্যাত ব্যবসায়ী ছিলেন। ব্যবসায় করা হালাল। ইবাদতের দশ ভাগের নয় ভাগ হালাল খাদ্যের মধ্যে নিহিত। মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেছেন, ‘আল্লাহ তায়ালা ক্রয়-বিক্রয় হালাল (বৈধ) করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন’ (সূরা বাকারা : ২৭৫)।

বিস্তারিত পড়ুন …