ইসলাম ও আমাদের জীবন

বিভিন্ন সংবাদপত্র থেকে নেয়া কিছু লেখা …

ইসলাম ও আমাদের জীবন - বিভিন্ন সংবাদপত্র থেকে নেয়া কিছু লেখা …

উম্মতে মুহাম্মাদির বৈশিষ্ট্য

মহান আল্লাহ উম্মতে মুহাম্মাদিকে বিশেষ কিছু গুণে ভূষিত করেছেন। এ জাতিকে তার গুণগুলোর যথাযথ ভাবার্থ অনুধাবনপূর্বক বাস্তব জীবনে তার সর্বশক্তি প্রয়োগ করে বিশ্বের সামনে তার শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করতে হবে। নতুবা পূর্ববর্তী উম্মতদের মতো তাদের লাঞ্ছনা-গঞ্জনায় নিপতিত হতে হবে।

আল কুরআনের বাণী, ‘আমি তোমাদের ভারসাম্যপূর্ণ জাতি করেছি’ (সূরা আল-বাকারাহ ১৪৩)। এ আয়াতের ওয়াসাত্তা শব্দটি উচ্চারণ ও লেখায় একটি সাধারণ শব্দ হলেও তাৎপর্যের দিক দিয়ে কোনো জাতি অথবা ব্যক্তির মধ্যে যত পরাকাষ্ঠা থাকা সম্ভব, সেগুলো পরিব্যাপ্ত করেছে। আয়াতে মুসলিম জাতিকে মধ্যপন্থী ও ভারসাম্যপূর্ণ বলে অভিহিত করে বলা হয়েছে, মানবীয় মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্ব তাদের মধ্যে পরিপূর্ণভাবে বিদ্যমান।

বিস্তারিত পড়ুন …

জবানের হেফাজত করা জরুরি

আল্লাহর অপরিমেয় নিয়ামতের অন্যতম একটি হলো ‘জিহ্বা’। আরবিতে জিহ্বাকে লিসান বলে। ফারসিতে জবান। জবান মানুষের মূল স্পিড বা শক্তি। অন্যান্য প্রাণী থেকে ব্যবধানকারী। এর দ্বারা মানুষের শত সহস্র শুকরিয়া আদায় হয়। এর মাধ্যমে মানুষ পৌঁছে যায় মুত্তাকির উচ্চপর্যায়ে। জবানের সঠিক ব্যবহারে মানুষ যেমন পায় আল্লাহর নৈকট্য তেমনি এর অপব্যবহারে মানুষ পৌঁছে যায় নরকের গহিন অন্ধকারে।
হাদিস শরিফে হজরত সাহল ইবনে সাদ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সা: বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আমার কাছে ওয়াদা করবে যে, সে তার দুই চোয়ালের মধ্যস্থিত বস্তু (জবান) ও দুই রানের মধ্যে অবস্থিত বস্তুর (লজ্জাস্থান) নিরাপত্তা করবে, আমি তার জন্য বেহেশতের জামিন হবো।’

বিস্তারিত পড়ুন …

মুমিন ও মুসলিম : দু’টি পরিভাষা

‘মুমিন’ ও ‘মুসলিম’ শব্দ দু’টি আমাদের অতি পরিচিত। শব্দ দু’টিকে আমরা সব সময় ব্যবহার করে থাকি, নিজের বা অন্যের জন্য। তবে অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, বুঝে-না-বুঝে আমরা নির্বিচারে এ শব্দ দু’টিকে ব্যবহার করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। সমাজসংসারে চলতে এমন ঘটনা আমাদের মাধ্যমে অহরহ ঘটে চলেছে। ফলে অনেক অর্থবহ শব্দ বা বিষয়ের ব্যবহার করতে গিয়ে অবলীলায় অপব্যবহার বা অসদ্ব্যবহার করাটা আমাদের সমাজে এখন গা সওয়া একটা বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। যাক সে কথা, অনেকে এ দু’টিকে সমার্থক মনে করে থাকেন। আসলে তা নয়; এরা একে অন্যের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। সহজ কথায়, ‘মুমিন’ মানে বিশ্বাসী। অর্থাৎ যিনি আল্লাহর একত্বে ঈমান এনেছেন। আর ঈমানের অপর অর্থ দৃষ্টিভঙ্গি। অপর দিকে, ‘মুসলিম’ মানে অনুগত। ইসলামি বিধান মতে, আল্লাহতে বিশ্বাসী মানুষকে মুমিন বলা হয়। আর ইসলামের যাবতীয় বিধানের কাছে অনুগত বা আনুগত্য প্রকাশকারীকে ‘মুসলিম’ বলা হয়।

বিস্তারিত পড়ুন …

ইসলাম একটি জীবনব্যবস্থা

মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘হে ঈমানদারগণ, তোমরা পরিপূর্ণভাবে ইসলামে প্রবেশ করো’ (সূরা বাকারা : ২০৮)। ইসলামকে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সব মানুষের জন্য দ্বীন হিসেবে, চলার পথ হিসেবে আল্লাহর পক্ষ থেকে মনোনীত করে দিয়েছেন। ইসলাম ধর্মে যেমন ইবাদতের বিধান আছে, ঠিক তেমনি পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, রাষ্ট্রীয় বিধানও রয়েছে। কাজেই মানুষের সমাজে বসবাস করতে গেলে যত কিছু প্রয়োজন সব ক্ষেত্রেই আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের নিয়মনীতি আছে। এসব নিয়মনীতি বাস্তবায়ন করতে গেলে ইসলামি সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হয়। আর ইসলামি সমাজ প্রতিষ্ঠার রাজনীতি ইসলাম ধর্মের অন্যতম বিধান। কাজেই ইসলাম ও রাজনীতির মধ্যে সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য।

বিস্তারিত পড়ুন …

এখন থেকেই শুরু হোক হজে যাওয়ার প্রস্তুতি

হজ মুসলিম উম্মাহর সর্ববৃহৎ মিলন উৎসব। সামর্থ্যবান প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর ওপর জীবনে একবার হজ করা ফরজ। আল্লাহ মহানের সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ইসলামি শরিয়া মোতাবেক নির্দিষ্ট সময়ে কাবা শরিফ এবং সংশ্লিষ্ট স্থানগুলো জিয়ারত করার নাম হজ। অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশ থেকেও প্রতিবছর উল্লেখযোগ্যসংখ্যক নবীপ্রেমী মুসলমান পবিত্র হজব্রত পালনের উদ্দেশ্যে মক্কা-মদিনার পবিত্র ভূমিতে ছুটে যান। দূরবর্তী দেশের সফর, অচেনা-অপরিচিত স্থান, হজের বিভিন্ন আমল পালন করা এবং দীর্ঘ সময় অবস্থান করা- সব মিলিয়ে প্রত্যেক হাজির ভালো একটি পূর্বপ্রস্তুতি গ্রহণ করা প্রয়োজন। শুদ্ধভাবে পবিত্র হজব্রত পালনের জন্য একটি পূর্বপ্রস্তুতি গ্রহণ করা বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

বিস্তারিত পড়ুন …

হজ একটি মৌলিক ইবাদত

চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে চলতি (১৪৩৫ হিজরি বা ২০১৪ ইং) বছরের ৪ বা ৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ফরজ ইবাদত হজ। সৌদি সরকারের সাথে চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে এবার ১ লাখ এক হাজার ৭৫৮ জন ধর্মপ্রাণ মুসলমান হজ পালন করার সুযোগ পাবেন, যা গত বছরের চুক্তির চেয়ে ২৫ হাজার ৪৪০ জন কম। গত বছর সৌদি সরকারের সাথে চুক্তি অনুযায়ী ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন ধর্মপ্রাণ মুসলমান হজে যাওয়ার চুক্তি হলেও বাস্তবে হজে গিয়েছিলেন ৮৭ হাজার ১২৬ জন।

বিস্তারিত পড়ুন …

মুমিন আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয় না

প্রাণী হিসেবে মানুষ চতুর, জ্ঞান-বুদ্ধি-বিবেক সম্পন্ন অতীব সুন্দর ও শ্রেষ্ঠ। আবার অন্যান্য প্রাণী থেকে মানুষের জীবন পরিচালনাপদ্ধতিও আলাদা ও ভিন্ন। মানুষ বিপদে পড়লে অন্য মানুষ সাহায্য করে, অসুখ করলে অন্য একজন মানুষ তার চিকিৎসা করেন, অন্য কেউ তার সেবা করেন। অর্থাৎ বিপদাপদে একজন মানুষ অন্য একজন মানুষকে সাহায্য-সহযোগিতা করে, যা অন্য প্রাণীদের মধ্যে সচরাচর দেখা যায় না। তার পরও মানুষ বিপদে পড়ে অস্থির হয়। সেখান থেকে কেউ পরিত্রাণের উপায় খোঁজেন, নিজেকে উদ্ধার করেন।

বিস্তারিত পড়ুন …

মৃত্যুর স্বাদ সবাইকে নিতে হবে

আজ আমরা দুনিয়া উপার্জনের জন্য ছোটাছুটি করছি, আমাদের বিরতিহীন চেষ্টা-সাধনা, দৌড়ঝাঁপ, দিনরাতের পরিশ্রম সব কিছুই এই দুনিয়ার সুখের জন্য। এ জন্য আমাদের প্রচেষ্টা হলো আমার বাসস্থান ভালো হোক, আমার অর্থোপার্জন হোক, দুনিয়ায় আমার সম্মান অর্জিত হোক, সমাজে আমার সুনাম-সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়–ক, আমি খুব ভাগ্যবান হয়ে যাই এবং আমার উঁচু মর্যাদা হাসিল হোক। মোটকথা এ পার্থিব জীবনের সুখশান্তিই হলো আমাদের যাবতীয় চিন্তাচেতনার কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু আমরা কখনো চিন্তা করে দেখিনি যে, যে কারণে এসব দৌড়ঝাঁপ দিচ্ছি ছোটাছুটি করছি, যে আশায় হালাল ও হারামকে একাকার করে রেখেছি, যার ফলে ঝগড়াবিবাদ লোগেই রয়েছে এবং যে কারণে মানুষ একে অপরের রক্তপিপাসু হয়ে ওঠে, সেই জীবনটি কত দিনের?

বিস্তারিত পড়ুন …

ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে প্রার্থনা

ধৈর্য মনুষ্যত্বের অন্যতম পরিচায়ক। ভালো গুণাবলির অন্যতম। আরবিতে এর প্রতিশব্দ সবর, যার অর্থ সংযম অবলম্বন করা, নফসের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ লাভ করা। কুরআনুল কারিমে বারবার আল্লাহ তায়াল ধৈর্যের আদেশ দিয়েছেন। দুঃখ-দুর্দশায় আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনার আদেশ দিয়েছেন। ধৈর্যের মাধ্যমে। ঘোষণা হচ্ছেÑ তোমরা আল্লাহর নিকট সাহায্য কামনা করো। ধৈর্য এবং নামাজের মাধ্যমে। (সূরা বাকারা আয়াত : ১৫৩)। এখানে লক্ষণীয় বিষয় হলো আয়াতে সাহায্য কামনার জন্য ধৈর্য আর নামাজকে মাধ্যম বানিয়েছেন। শুধু এতটুকু হয় আয়াতে নামাজের আগে ধৈর্যের কথা বলা হয়েছে।

বিস্তারিত পড়ুন …