ইসলাম ও আমাদের জীবন

বিভিন্ন সংবাদপত্র থেকে নেয়া কিছু লেখা …

ইসলাম ও আমাদের জীবন - বিভিন্ন সংবাদপত্র থেকে নেয়া কিছু লেখা …

হালাল-হারাম প্রসঙ্গ : যা অবৈধ নয় তাই বৈধ

হালাল-হারাম প্রসঙ্গ : যা অবৈধ নয় তাই বৈধ

 

 

 

 

 

 

 

 

 

শরিয়াতের বিধান প্রণয়নে ইসলামের সর্বপ্রথম মৌলনীতি হচ্ছে আল্লাহ্তা’আলা মানুষের জন্য যত জিনিসই সৃষ্টি করেছেন, তা সবই হালাল ও মুবাহ্। শরিয়াতের বিধান রচয়িতার অকাট্য, সুস্পষ্ট ও প্রমাণিত ঘোষণায় যদি কোনোটিকে ‘হারাম’ বলে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে তবে কেবল সেটিই হারাম। কিন্তু কোনো বিষয়ে যদি অকাট্য কোনো ঘোষণা প্রমাণিত না হয় কিংবা কোনো দলিল থেকে যদি অকাট্য কোনো ঘোষণা প্রমাণিত না হয় কিংবা কোনো দলিল থেকে যদি সুস্পষ্টভাবে কোনো জিনিসের হারাম হওয়ার কথা নিঃসন্দেহে জানা না যায়, তাহলে তার তার মৌল অবস্থা- মুবাহ্হওয়ার অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকবে। তাকে হারাম বলা যাবে না। কোনো যয়িফ হাদিস এক্ষেত্রে দলিল হিসেবে গ্রহণীয় হতে পারে না।

বিস্তারিত পড়ুন …

কেমন হবে মুমিনের ব্যবহার?

কেমন হবে মুমিনের ব্যবহার?

 

 

 

 

 

 

 

 

 

কেমন হবে মুমিনের ব্যবহার?

ইসলামী শরিয়ত হচ্ছে একটি পরিপূর্ণ জীবনপদ্ধতি, যা সব দিক থেকে সার্বিকভাবে মুসলমানের ব্যক্তিগত জীবনকে গঠন করার ব্যাপারে অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করেছে, এসব দিকের মধ্যে গুণাবলি শিষ্টাচার ও চরিত্রের দিকটি অন্যতম। ইসলাম এ দিকে অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করেছে। তাইতো আকিদা ও আখলাকের মাঝে সম্পর্ক স্থাপন করে দিয়েছে, যেমন নবী করিম সা: ইরশাদ করেছেন, ‘মুমিনদের মধ্যে পরিপূর্ণ ঈমানদার হচ্ছে সে ব্যক্তি, যে তাদের মধ্যে সর্বোত্তম চরিত্রের অধিকারী।’ (আহমাদ, আবু দাউদ, তিরমিজি)

বিস্তারিত পড়ুন …

কোরবানির মাসয়ালা

কোরবানি ফজিলতপূর্ণ একটি ইবাদত। কুরআন ও হাদিসে এর ফজিলত বর্ণনা করা হয়েছে। মিশকাত শরিফের হাদিসে বর্ণিত আছে, একদা হজরত জায়েদ ইবনে আরকাম রা: রাসূলে করিম সা:-এর কাছে জিজ্ঞাসা করলেন, হে আল্লাহর রাসূল সা:, কোরবানি কী? উত্তরে রাসূলুল্লাহ সা: ইরশাদ করলেন, কোরবানি হচ্ছে তোমাদের আদি পিতা হজরত ইবরাহিম আ:-এর জীবনাদর্শ। সাহাবি পুনরায় জিজ্ঞাসা করলেন, কোরবানির ফজিলত কী? রাসূল সা: বললেন, পশুর পশমের পরিবর্তে একেকটি করে নেকি দেয়া হয় (মিশকাত শরিফ : ১/১২৯)।

বিস্তারিত পড়ুন …

হজ পালনে যা জানা জরুরি

জীবনে একবার হজ করা ফরজ আর তাও সচ্ছল সুস্থ ব্যক্তির জন্য। এ কারণে হজের নিয়ম ও মাসয়ালাগুলোকে জটিল মনে হয়। একজন সাধারণ মুসল্লির কাছে সূরা ‘কাফিরুন’কে সূরা ফাতিহার চেয়ে কঠিন মনে হয় এ কারণে যে, সূরা কাফিরুন সব নামাজে পড়তে হয় না বা পড়াও হয় না। আবার নামাজের মাসয়ালা বেশ কঠিন ও বিস্তৃত হওয়ার পরেও অব্যাহত প্রচেষ্টা ও দিনে পাঁচবার অনুশীলনের কারণে মাদরাসায় শিক্ষিত নয় এমন একজন স্বল্পশিক্ষিত সাধারণ নামাজিরও তা আয়ত্তে এসে যায়। কিন্তু হজের বিষয়টি ভিন্ন। যে স্বল্পসংখ্যক লোকের ওপর হজ ফরজ হয়, তাদের অনেকেই সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত এবং বয়সের শেষভাগে হজের প্রাক্কালে এ চিন্তাভাবনা ও অনুশীলন শুরু করেন। তা ছাড়া তারা যে বইগুলো পড়েন এবং যাদের সাহায্য নেন সেখানে তারা ব্যাপক আলোচনা ও বিবিধ নতুন আরবি পরিভাষার সম্মুখীন হন।

বিস্তারিত পড়ুন …

হজের অবসরে

পবিত্র মক্কা-মদিনায় এমন কিছু জায়গা রয়েছে যেগুলোর এক দিকে রয়েছে ঐতিহাসিক গুরুত্ব, অন্য দিকে সেগুলোর সাথে জড়িয়ে আছে অসংখ্য নবী রাসূলের মহান স্মৃতি। পবিত্র কুরআনের মর্মবাণী উপলব্ধি ও ইতিহাসকে নিখুঁতভাবে বোঝার জন্য এসব জায়গায় ভ্রমণ খুবই উপযোগী। তবে মনে রাখতে হবে, এ ভ্রমণ হজের কোনো আহকাম নয়।

বিস্তারিত পড়ুন …

ধর্মের অবমাননা করবেন না

কিছু ব্যক্তি নিয়মিতভাবে ইসলাম ধর্মের অবমাননা করে বক্তৃতা আর লেখালেখি করছেন। তারা নিজেদেরকে আধুনিক, প্রগতিশীল, মুক্তমনা ও নাস্তিক বলে পরিচয় দেন। মুক্তচিন্তা ও বাক স্বাধীনতার কথা বলে প্রধানত ইসলাম ধর্মের সমালোচনা করেন। তারা ব্লগে ইসলামি মূল্যবোধ, বিশ্বাস এবং এর বিধিবিধানকে কটাক্ষ করে লেখালেখি করেছেন। তারা এই মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তা, পালনর্কতা এবং নিয়ন্ত্রণকর্তা মহান আল্লাহ এবং তার প্রেরিত মানবতার মুক্তিদূত, সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ রাসূল হজরত মুহাম্মদ সা:-কে কটাক্ষ, অবজ্ঞা ও অপমানিত করে থাকেন। একই সাথে তারা ‘পবিত্র’ নিয়ে অবাঞ্ছিত মন্তব্য করেন। ইসলাম অবমাননার কারণে ধর্মপ্রাণ মুসলমানের হৃদয় স্বাভাবিকভাবেই ক্ষতবিক্ষত।

বিস্তারিত পড়ুন …

ইসলামে মেহমান ও মেজবান

ইসলাম সব কিছুর আদব-কায়দা শিক্ষা দিয়েছে। ইসলামে মেহমান ও মেজবানেরও কিছু দায়িত্ব-কর্তব্য রয়েছে। যারা বেড়াতে যান তারা মেহমান, আর যাদের বাড়িতে যান তারা মেজবান। দাওয়াত খাওয়া ও খাওয়ানো দু’টিই সুন্নত। আন্তরিকতাপূর্ণ অনাড়ম্বর দাওয়াতের কথা ইসলাম বলেছে। দাওয়াত দিলে সাধ্যের বাইরে গিয়ে হলেও দামি খাবার খাওয়াতে হবে অথবা অবশ্যই উপহার নিয়ে যেতে হবে- এটা জরুরি নয়।

বিস্তারিত পড়ুন …

মহানবীর প্রতি সাহাবিদের ভালোবাসা

ভালোবাসা। একটি শব্দ চার অক্ষরের। কী এক জাদু এ শব্দে! কত গভীরতা, কত মমতা, কত শক্তি! এ শব্দের ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়েছে লাখো ঘটনাপ্রবাহ। রচিত হয়েছে অসংখ্য গান, সাহিত্য। হয়নি কী! বিশ্বময় ভালোবাসা না থাকলে কোনো কিছু টিকে থাকা অসম্ভব। আর সেই ভালোবাসা যদি প্রিয় নবীজী সা:-এর জন্য হয় তবে তাতে সিক্ত হয় মন-মনন। প্রশান্তিতে ভরে ওঠে দেহ-মন। ভেজে আঁখি, ভেসে ওঠে কল্পনার ছবি। পৃথিবীতে যারাই রাসূলকে ভালো বেসেছেন, অনুসরণ করেছেন তারাই ধন্য হয়েছেন। সূরা আল্ ইমরানের ৩১ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলেন, ‘(হে নবী!) বলুন, আল্লাহকে ভালোবাসতে হলে আমাকে অনুসরণ করো, তাহলে আল্লাহ তোমাদের প্রিয় করে নেবেন।’

বিস্তারিত পড়ুন …

মহানবীর প্রতি সাহাবিদের ভালোবাসা

ভালোবাসা। একটি শব্দ চার অক্ষরের। কী এক জাদু এ শব্দে! কত গভীরতা, কত মমতা, কত শক্তি! এ শব্দের ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়েছে লাখো ঘটনাপ্রবাহ। রচিত হয়েছে অসংখ্য গান, সাহিত্য। হয়নি কী! বিশ্বময় ভালোবাসা না থাকলে কোনো কিছু টিকে থাকা অসম্ভব। আর সেই ভালোবাসা যদি প্রিয় নবীজী সা:-এর জন্য হয় তবে তাতে সিক্ত হয় মন-মনন। প্রশান্তিতে ভরে ওঠে দেহ-মন। ভেজে আঁখি, ভেসে ওঠে কল্পনার ছবি। পৃথিবীতে যারাই রাসূলকে ভালো বেসেছেন, অনুসরণ করেছেন তারাই ধন্য হয়েছেন। সূরা আল্ ইমরানের ৩১ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলেন, ‘(হে নবী!) বলুন, আল্লাহকে ভালোবাসতে হলে আমাকে অনুসরণ করো, তাহলে আল্লাহ তোমাদের প্রিয় করে নেবেন।’

বিস্তারিত পড়ুন …

প্রিয় ব্যক্তিত্ব মুহাম্মাদ সা:

‘পড়ো তোমার সেই প্রভুর নামে, যিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন।’ বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর ও আলোকিত এই বাণী শুধু মুহাম্মদ সা:-কে বা মুসলিমদের উদ্দেশ করে বলা হয়নি, বলা হয়েছে পৃথিবীর সব মানুষকে লক্ষ্য করে। কিন্তু এই চিরসুন্দর ও সত্যবাণীটি শিক্ষাসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মনোগ্রাম থেকে কৌশলে সরিয়ে ফেলা হয়েছে ধর্মনিরপেক্ষতার অজুহাতে। অথচ আল্লাহ ঘোষণা করেছেনÑ ‘তোমরা আমার কোন কোন নেয়ামতকে অস্বীকার করবে? আর যদি অস্বীকারই করবে তাহলে আমার পৃথিবী ছেড়ে অন্যত্র চলে যাও। যে দিকেই যাও সে দিকেই আল্লাহর জমিন বিস্তৃত।’ এই অকাট্য সত্য বক্তব্যগুলো যার মাধ্যমে মানুষদের শুনানো হয়েছে, তিনিই হলেন জগতের শ্রেষ্ঠ মহামানব হজরত মুহাম্মাদ সা:। এই অসাধারণ ব্যক্তিত্বের অধিকারী মানুষটি স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীদের কাছে আজ তেমন একটা গুরুত্বের দাবি রাখে না। শিক্ষাব্যবস্থার পরিবেশ ও বাস্তবতা সেই সত্যটিই প্রমাণ করে চলেছে।

বিস্তারিত পড়ুন …