ইসলাম ও আমাদের জীবন

বিভিন্ন সংবাদপত্র থেকে নেয়া কিছু লেখা …

ইসলাম ও আমাদের জীবন - বিভিন্ন সংবাদপত্র থেকে নেয়া কিছু লেখা …

ইসলামে অভিবাদন কী, কেন ও কিভাবে

মহান সৃষ্টিকর্তা রাজাধিরাজ রাব্বুল আলামীনের পক্ষ থেকে মনোনীত একমাত্র জীবনবিধান ইসলামের মহান আদর্শ, নিয়মনীতি সর্বাপেক্ষা উৎকৃষ্ট, সর্বশ্রেষ্ঠ ও শাশ্বত চিরন্তন, যা কখনো হারিয়ে যাওয়ার নয়। সর্বযুগের সব সমস্যার সমাধানে সক্ষম। স্বয়ংসম্পূর্ণ; কোনো সংযোজন, বিয়োজন, সম্প্রসারণ, সঙ্কোচন, পরিবর্তন, পরিমার্জন থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত। সার্বজনীন; ফলে ওল্ড ভার্সন যেমন নেই, আপডেট ভার্সনও নেই। এটাই ইসলামের মহান অলৌকিকতা ও শাশ্বত চিরন্তন মহাসত্যের পরিচায়ক।

বিস্তারিত পড়ুন …

জুমার দিনের ফজিলত

ইমাম অর্থ নেতা, অগ্রবর্তী ব্যক্তি, পথপ্রদর্শক, গুরু বা পরিচালক। শরিয়তের দৃষ্টিতে প্রাপ্তবয়স্ক সমাজের গ্রহণযোগ্য সম্মানিত সৎ সাহসী ব্যক্তি, যার কুরআন তেলাওয়াত সহি-শুদ্ধ, যিনি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সাথে আদায় করেন ও নামাজের মাসয়ালা-মাসায়েল জানা দ্বীনদার মুত্তাকি, যার কুরআন, সুন্নাহ ও ফিকহের মৌলিক ধারণা আছে ও সমাজকে নেতৃত্ব দানে সক্ষম; তিনিই মুসলিম সমাজের ইমাম হবেন ও মসজিদে নামাজের ইমামতি করবেন।

বিস্তারিত পড়ুন …

চোগলখোরি আল্লাহর অপছন্দ

আমাদের সমাজে যত ধরনের পাপ রয়েছে, তার মধ্যে চোগলখুরি অন্যতম। অন্যান্য গুনাহ থেকে মানুষ বিবেকের তাড়নায় অনেক সময় বেঁচে থাকার চেষ্টা করে, কিন্তু চোগলখুরি থেকে মানুষ মোটেও সতর্কতা অবলম্বন করে না। অথচ চোগলখুরি মানুষের ঘৃণিত স্বভাব ও জঘন্য পাপ।

বিস্তারিত পড়ুন …

কবরে সওয়াব পাওয়ার আমল

মানবজীবনে দু’টি অধ্যায় রয়েছে। একটি দুনিয়া ও অপরটি আখেরাত। আমরা এ জগতে যেসব আমল করব পরকালে বা আখেরাতে তার ফলাফল লাভ করব। দুনিয়াতে মন্দ কাজ করলে পরকালে তারও প্রতিদান পাবো। প্রশ্ন হচ্ছে, আমরা আমল করব কোন পর্যন্ত? আমরা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আমল করার ক্ষমতা রাখি। তার পরে আর রাখি না। কাজেই মালাকুল মউত আসার সাথে সাথে আমাদের সব ইবাদতের রাস্তা বন্ধ হয়ে যাবে। তাই এমন কিছু আমল আমাদের করা প্রয়োজন, যা মৃত্যুর পরেও আমাদের সওয়াব পেতে সাহায্য করে।

বিস্তারিত পড়ুন …

জ্ঞান অর্জন কেন ফরজ ইবাদত

gghanআমরা সাধারণত সালাত, সিয়াম, হজ ও জাকাতকেই ফরজ ইবাদত বলে জানি বা মনে করি। আসলে আল্লাহ তায়ালার প্রতিটি হুকুম মেনে চলার নামই হচ্ছে ইবাদত। সালাতের আগে অবশ্যই ঈমান আনতে হয় আর ঈমান আনার পূর্ব শর্ত হচ্ছে জ্ঞান। কারো বয়স যখন ১০ থেকে ১১-তে উন্নীত হয় তখন সে ভালো-মন্দসহ অনেক বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করে। আর এ জ্ঞানের ভিত্তিতেই একজন বালেগ ব্যক্তি তার প্রতিপালক ও আখিরাতের প্রতি ঈমান আনে। ঈমান আনার কারণে যেকোনো ব্যক্তির ওপর সালাত আর সিয়াম ফরজ হয়। সাহেবে মাল হলে এক বছর পর জাকাত ফরজ হয়, আর শারীরিক সুস্থতা, আর্থিক সঙ্গতি ও নিরাপদ যাতায়াতের শর্তে হজ ফরজ হয়।

বিস্তারিত পড়ুন …

কবর, মাযার ও মৃত্যু সম্পর্কীত কতিপয় বিদ’আত

কবর, মাযার ও মৃত্যু সম্পর্কীত কতিপয়
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,আকাশে ঘন কালো মেঘের আড়ালে অনেক সময় সূর্য্যের কিরণ ঢাকা পড়ে যায়। মনে হয় হয়ত আর সূর্য্যের মুখ দেখা যাবে না। কিন্তু সময়ের ব্যাবধানে নিকশ কালো মেঘের বুক চিরে আলো ঝলমল সূর্য্য বের হয়ে আসে। ঠিক তেমনি বর্তমানে আমাদের সমাজের দিকে তাকালে দেখা যাবে বিদ’আতের কালিমা ইসলামের স্বচ্ছ আসমানকে ঘিরে ফেলেছে। যার কারণে কোন কাজটা সুন্নাত আর কোন কাজটা বিদ’আত তা পার্থক্য করাটাই অনেক মানুষের জন্য কঠিন হয়ে গেছে। যা হোক শত রকমের বিদ’আতের মধ্য থেকে এখানে শুধু কবর, মাযার ও মৃত্যু সম্পর্কীত কয়েকটি প্রসিদ্ধ বিদ’আত তুলে ধরা হল। যদিওএ সম্পর্ক আরও অনেক বিদ’আত আমাদের সমাজে প্রচলিত আছে। যদি এতে আমাদের সমাজের বিবেকবান মানুষের চেতনার দুয়ারে সামান্য আঘাত হানে তবেই এ প্রচেষ্টা সার্থক হবে।

বিস্তারিত পড়ুন …

ইসলামে ধৈর্য ও সহিষ্ণুতা

ধৈর্য মানবজাতির জন্য এক মহান শক্তি। ধৈর্যক্ষমতা মানুষকে পৌঁছে দেয় সুনিশ্চিত বিজয়ে। সে বিজয় হোক যুদ্ধক্ষেত্র, ব্যক্তিজীবন, পারিবারিক জীবন, রাষ্ট্রীয় জীবন, দুনিয়া ও পরকালে। ধৈর্যশীলদের পাশে থাকার ঘোষণা আল্লাহরও রয়েছে। আল্লাহর ঘোষণা ‘তোমরা ধৈর্য ধরো, নিশ্চয় আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন।’ (সূরা আনফাল : ৪৬)। ধৈর্যশীলদের প্রতিদানস্বরূপ আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘বলুন, হে আমার বিশ্বাসী বান্দাগণ! তোমরা তোমাদের পালনকর্তাকে ভয় করো। যারা এ দুনিয়াতে সৎ কাজ করে, তাদের জন্য রয়েছে পুণ্য। আল্লাহর পৃথিবী প্রশস্ত। যারা ধৈর্যশীল, তারাই তাদের পুরস্কার পায় অগণিত।’ (সূরা জুমার : ১০)।

বিস্তারিত পড়ুন …

মহানবীর প্রতি সাহাবিদের ভালোবাসা

ভালোবাসা। একটি শব্দ চার অক্ষরের। কী এক জাদু এ শব্দে! কত গভীরতা, কত মমতা, কত শক্তি! এ শব্দের ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়েছে লাখো ঘটনাপ্রবাহ। রচিত হয়েছে অসংখ্য গান, সাহিত্য। হয়নি কী! বিশ্বময় ভালোবাসা না থাকলে কোনো কিছু টিকে থাকা অসম্ভব। আর সেই ভালোবাসা যদি প্রিয় নবীজী সা:-এর জন্য হয় তবে তাতে সিক্ত হয় মন-মনন। প্রশান্তিতে ভরে ওঠে দেহ-মন। ভেজে আঁখি, ভেসে ওঠে কল্পনার ছবি। পৃথিবীতে যারাই রাসূলকে ভালো বেসেছেন, অনুসরণ করেছেন তারাই ধন্য হয়েছেন। সূরা আল্ ইমরানের ৩১ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলেন, ‘(হে নবী!) বলুন, আল্লাহকে ভালোবাসতে হলে আমাকে অনুসরণ করো, তাহলে আল্লাহ তোমাদের প্রিয় করে নেবেন।’

বিস্তারিত পড়ুন …

প্রিয় ব্যক্তিত্ব মুহাম্মাদ সা:

‘পড়ো তোমার সেই প্রভুর নামে, যিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন।’ বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর ও আলোকিত এই বাণী শুধু মুহাম্মদ সা:-কে বা মুসলিমদের উদ্দেশ করে বলা হয়নি, বলা হয়েছে পৃথিবীর সব মানুষকে লক্ষ্য করে। কিন্তু এই চিরসুন্দর ও সত্যবাণীটি শিক্ষাসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মনোগ্রাম থেকে কৌশলে সরিয়ে ফেলা হয়েছে ধর্মনিরপেক্ষতার অজুহাতে। অথচ আল্লাহ ঘোষণা করেছেনÑ ‘তোমরা আমার কোন কোন নেয়ামতকে অস্বীকার করবে? আর যদি অস্বীকারই করবে তাহলে আমার পৃথিবী ছেড়ে অন্যত্র চলে যাও। যে দিকেই যাও সে দিকেই আল্লাহর জমিন বিস্তৃত।’ এই অকাট্য সত্য বক্তব্যগুলো যার মাধ্যমে মানুষদের শুনানো হয়েছে, তিনিই হলেন জগতের শ্রেষ্ঠ মহামানব হজরত মুহাম্মাদ সা:। এই অসাধারণ ব্যক্তিত্বের অধিকারী মানুষটি স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীদের কাছে আজ তেমন একটা গুরুত্বের দাবি রাখে না। শিক্ষাব্যবস্থার পরিবেশ ও বাস্তবতা সেই সত্যটিই প্রমাণ করে চলেছে।

বিস্তারিত পড়ুন …

হাদিসে প্রতিবেশীর হক

১. প্রতিবেশীর ক্ষতি করা নিষিদ্ধ : রাসূলুল্লাহ সা: বলেছেন, ‘আল্লাহর শপথ সে ঈমানদার নয়। আল্লাহর কসম সে ঈমানদার নয়। আল্লাহর কসম সে ঈমানদার নয়।’ তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলো, ‘ইয়া রাসূলুল্লাহ, কে ঈমানদার নয়?’ তিনি বললেন, ‘ওই ব্যক্তি যার অনিষ্ট থেকে তার প্রতিবেশী নিজেকে নিরাপদ মনে করে না’ (সহিহ বোখারি)।

বিস্তারিত পড়ুন …