ইসলাম ও আমাদের জীবন

বিভিন্ন সংবাদপত্র থেকে নেয়া কিছু লেখা …

ইসলাম ও আমাদের জীবন - বিভিন্ন সংবাদপত্র থেকে নেয়া কিছু লেখা …

ইসলামে অভিবাদন কী, কেন ও কিভাবে

মহান সৃষ্টিকর্তা রাজাধিরাজ রাব্বুল আলামীনের পক্ষ থেকে মনোনীত একমাত্র জীবনবিধান ইসলামের মহান আদর্শ, নিয়মনীতি সর্বাপেক্ষা উৎকৃষ্ট, সর্বশ্রেষ্ঠ ও শাশ্বত চিরন্তন, যা কখনো হারিয়ে যাওয়ার নয়। সর্বযুগের সব সমস্যার সমাধানে সক্ষম। স্বয়ংসম্পূর্ণ; কোনো সংযোজন, বিয়োজন, সম্প্রসারণ, সঙ্কোচন, পরিবর্তন, পরিমার্জন থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত। সার্বজনীন; ফলে ওল্ড ভার্সন যেমন নেই, আপডেট ভার্সনও নেই। এটাই ইসলামের মহান অলৌকিকতা ও শাশ্বত চিরন্তন মহাসত্যের পরিচায়ক।

বিস্তারিত পড়ুন …

চোগলখোরি আল্লাহর অপছন্দ

আমাদের সমাজে যত ধরনের পাপ রয়েছে, তার মধ্যে চোগলখুরি অন্যতম। অন্যান্য গুনাহ থেকে মানুষ বিবেকের তাড়নায় অনেক সময় বেঁচে থাকার চেষ্টা করে, কিন্তু চোগলখুরি থেকে মানুষ মোটেও সতর্কতা অবলম্বন করে না। অথচ চোগলখুরি মানুষের ঘৃণিত স্বভাব ও জঘন্য পাপ।

বিস্তারিত পড়ুন …

ধর্মের অবমাননা করবেন না

কিছু ব্যক্তি নিয়মিতভাবে ইসলাম ধর্মের অবমাননা করে বক্তৃতা আর লেখালেখি করছেন। তারা নিজেদেরকে আধুনিক, প্রগতিশীল, মুক্তমনা ও নাস্তিক বলে পরিচয় দেন। মুক্তচিন্তা ও বাক স্বাধীনতার কথা বলে প্রধানত ইসলাম ধর্মের সমালোচনা করেন। তারা ব্লগে ইসলামি মূল্যবোধ, বিশ্বাস এবং এর বিধিবিধানকে কটাক্ষ করে লেখালেখি করেছেন। তারা এই মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তা, পালনর্কতা এবং নিয়ন্ত্রণকর্তা মহান আল্লাহ এবং তার প্রেরিত মানবতার মুক্তিদূত, সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ রাসূল হজরত মুহাম্মদ সা:-কে কটাক্ষ, অবজ্ঞা ও অপমানিত করে থাকেন। একই সাথে তারা ‘পবিত্র’ নিয়ে অবাঞ্ছিত মন্তব্য করেন। ইসলাম অবমাননার কারণে ধর্মপ্রাণ মুসলমানের হৃদয় স্বাভাবিকভাবেই ক্ষতবিক্ষত।

বিস্তারিত পড়ুন …

ইসলাম মানতে হবে পূর্ণভাবে

islam means peace1আমাদের জীবন কিছু সময়ের সমষ্টি। প্রতিনিয়ত তা ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে। বরফ বিক্রেতার যেমন সময় যত অতিক্রান্ত হয়, তার পুঁজি তত নিঃশেষ হয়ে যায়; আমাদের জীবনও ঠিক তেমনি। যত দিন যাচ্ছে, আমাদের হায়াত তত হ্রাস পাচ্ছে, অর্থাৎ আমরা মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। মৃত্যুর ব্যাপারে আস্তিক-নাস্তিকের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। সবাই স্বীকার করে যে, জন্মেছি যেহেতু মৃত্যু একবার আসবেই। নাস্তিকের কথা বাদ দিলে আমরা যারা মুসলিম তারা সবাই বিশ্বাস করি যে, এ মৃত্যুই শেষ নয়, এরপর আর একটি জগৎ আছে, যেখানে দুনিয়ার কৃতকর্মের বদলা দেয়া হবে। এখন আমরা দেখি, বিশ্বাসীদের জীবনে দ্বীন পালনের অবস্থা কেমন। আমাদের মধ্যে একটি বিরাটসংখ্যক মানুষ দ্বীনের কোনো বিধি-বিধানই মান্য করে না। নামাজ-রোজা-জাকাত-হজ বা উপার্জনে হালাল-হারাম কোনো কিছুরই তোয়াক্কা করে না। মাঝেমধ্যে জুমার নামাজ বা বছরে দু’বার ঈদের নামাজ আদায় করে থাকে। বিধিবিধান পালনের কথা বললে তাদের জবাব হয় নামাজ না পড়লেও আমাদের ঈমান ঠিক আছে। অথচ কুরআন ও হাদিসের বর্ণনা মতে নামাজ আদায় মুসলমান হওয়ার জন্য ন্যূনতম শর্ত। হাদিসের ভাষা হলো- যে ইচ্ছাকৃতভাবে নামাজ ছেড়ে দিল সে কুফুরি করল।

বিস্তারিত পড়ুন …

জ্ঞান অর্জন কেন ফরজ ইবাদত

gghanআমরা সাধারণত সালাত, সিয়াম, হজ ও জাকাতকেই ফরজ ইবাদত বলে জানি বা মনে করি। আসলে আল্লাহ তায়ালার প্রতিটি হুকুম মেনে চলার নামই হচ্ছে ইবাদত। সালাতের আগে অবশ্যই ঈমান আনতে হয় আর ঈমান আনার পূর্ব শর্ত হচ্ছে জ্ঞান। কারো বয়স যখন ১০ থেকে ১১-তে উন্নীত হয় তখন সে ভালো-মন্দসহ অনেক বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করে। আর এ জ্ঞানের ভিত্তিতেই একজন বালেগ ব্যক্তি তার প্রতিপালক ও আখিরাতের প্রতি ঈমান আনে। ঈমান আনার কারণে যেকোনো ব্যক্তির ওপর সালাত আর সিয়াম ফরজ হয়। সাহেবে মাল হলে এক বছর পর জাকাত ফরজ হয়, আর শারীরিক সুস্থতা, আর্থিক সঙ্গতি ও নিরাপদ যাতায়াতের শর্তে হজ ফরজ হয়।

বিস্তারিত পড়ুন …

সমাজ ও মানবজীবন

somajযে সমাজ মহাগ্রন্থ আল কুরআন ও বিশ্বনবী মুহাম্মাদ সা:-এর সুন্নাহর ওপর প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত হয় সেই সমাজকেই কেবল প্রকৃত ইসলামী সমাজ বলা যেতে পারে। অর্থাৎ সমাজের মানুষের চিন্তাচেতনা, শিল্প-সংস্কৃতি, আচার-অনুষ্ঠান, আইন-কানুন তথা সব কাজের মধ্য দিয়েই যারা প্রমাণ করে যে, তারা একমাত্র আল্লাহরই গোলামি করে যাচ্ছে- এমন সমাজই ইসলামী সমাজ। আর কালেমা শাহাদাত এ ধরনের আল্লাহর দাসত্বমূলক জীবনব্যবস্থা গ্রহণ করে নেয়ার মৌখিক স্বীকৃতি দেয় এবং বাস্তবজীবনে তা পালনের পদ্ধতি নির্ধারণ করে।

বিস্তারিত পড়ুন …

কবর, মাযার ও মৃত্যু সম্পর্কীত কতিপয় বিদ’আত

কবর, মাযার ও মৃত্যু সম্পর্কীত কতিপয়
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,আকাশে ঘন কালো মেঘের আড়ালে অনেক সময় সূর্য্যের কিরণ ঢাকা পড়ে যায়। মনে হয় হয়ত আর সূর্য্যের মুখ দেখা যাবে না। কিন্তু সময়ের ব্যাবধানে নিকশ কালো মেঘের বুক চিরে আলো ঝলমল সূর্য্য বের হয়ে আসে। ঠিক তেমনি বর্তমানে আমাদের সমাজের দিকে তাকালে দেখা যাবে বিদ’আতের কালিমা ইসলামের স্বচ্ছ আসমানকে ঘিরে ফেলেছে। যার কারণে কোন কাজটা সুন্নাত আর কোন কাজটা বিদ’আত তা পার্থক্য করাটাই অনেক মানুষের জন্য কঠিন হয়ে গেছে। যা হোক শত রকমের বিদ’আতের মধ্য থেকে এখানে শুধু কবর, মাযার ও মৃত্যু সম্পর্কীত কয়েকটি প্রসিদ্ধ বিদ’আত তুলে ধরা হল। যদিওএ সম্পর্ক আরও অনেক বিদ’আত আমাদের সমাজে প্রচলিত আছে। যদি এতে আমাদের সমাজের বিবেকবান মানুষের চেতনার দুয়ারে সামান্য আঘাত হানে তবেই এ প্রচেষ্টা সার্থক হবে।

বিস্তারিত পড়ুন …

ইসলামে ধৈর্য ও সহিষ্ণুতা

ধৈর্য মানবজাতির জন্য এক মহান শক্তি। ধৈর্যক্ষমতা মানুষকে পৌঁছে দেয় সুনিশ্চিত বিজয়ে। সে বিজয় হোক যুদ্ধক্ষেত্র, ব্যক্তিজীবন, পারিবারিক জীবন, রাষ্ট্রীয় জীবন, দুনিয়া ও পরকালে। ধৈর্যশীলদের পাশে থাকার ঘোষণা আল্লাহরও রয়েছে। আল্লাহর ঘোষণা ‘তোমরা ধৈর্য ধরো, নিশ্চয় আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন।’ (সূরা আনফাল : ৪৬)। ধৈর্যশীলদের প্রতিদানস্বরূপ আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘বলুন, হে আমার বিশ্বাসী বান্দাগণ! তোমরা তোমাদের পালনকর্তাকে ভয় করো। যারা এ দুনিয়াতে সৎ কাজ করে, তাদের জন্য রয়েছে পুণ্য। আল্লাহর পৃথিবী প্রশস্ত। যারা ধৈর্যশীল, তারাই তাদের পুরস্কার পায় অগণিত।’ (সূরা জুমার : ১০)।

বিস্তারিত পড়ুন …

ইন্টারনেটে আল্লাহর পথে দাওয়াত

​ বর্তমান যুগ বিজ্ঞানের যুগ। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উৎকর্ষের ফলে পৃথিবী এখন হাতের মুঠোয়। মুহূর্তেই চিঠি আদান-প্রদান, ভিডিও কনফারেন্সসহ কত কী! বাংলা ইংরেজি আরবিসহ বিভিন্ন ভাষায় কুরআনের তাফসির পড়া যাচ্ছে। দুর্লভ যেসব কিতাব সংগ্রহ করা অনেক কষ্টসাধ্য সেসব কিতাব এখন মাউসের এক কিকেই এসে যাচ্ছে। হাজার হাজার কিতাবের মাকতাবাতুশ শামেলা একটি ছোট্ট মেমোরিতেই রাখা যাচ্ছে। সবই সম্ভব হচ্ছে বিজ্ঞানের চরম উন্নতির ফলে। বিজ্ঞানের সর্বাধুনিক ও সর্বাধিক ক্রিয়াশীল বিস্ময়কর আবিষ্কারই ইন্টারনেট।

বিস্তারিত পড়ুন …

গুনাহের নগদ শাস্তি

আল্লাহ পাক বান্দাকে যা করতে বলেছেন তা না করা এবং যা থেকে বিরত থাকতে বলেছেন তা করা হলো গুনাহ। গুনাহ দু’ভাগে বিভক্ত। ১. কবিরা গুনাহ বা মারাত্মক পাপ, ২. ছগিরা গুনাহ বা লঘু পাপ। গুনাহ ছোট হোক বা বড় হোক এর নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে, যা ক্রমান্বয়ে ব্যক্তি ও সমাজকে অস্থির করে তোলে এবং জাতির ওপর নেমে আসে নানা রকমের বিপদ-আপদ ও বিপর্যয়। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের ভূমিকম্প, ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস, সুনামি প্রভৃতি মানুষের ওপর আপতিত এসব প্রাকৃতিক বিপদ মানুষের গুনাহের কারণেই এসে থাকে। এগুলো তাদের কৃতকর্মের কিঞ্চিৎ সাজামাত্র। আর আখেরাতে তাদের জন্য সীমাহীন শাস্তি অপো করছে, যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও অসহ্যকর। রাসূল সা: বলেন, ‘এই উম্মতের মাঝে ভূমিধস, আকৃতি পরিবর্তন, সলিল সমাধি হবে’। কোনো এক সাহাবি জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ, তা কখন হবে? তিনি বললেন, ‘যখন এই উম্মতের মাঝে গায়িকা, বাদ্যযন্ত্র এবং মদপান ব্যাপক হবে’ (তিরমিজি)।

বিস্তারিত পড়ুন …