ইসলাম ও আমাদের জীবন

বিভিন্ন সংবাদপত্র থেকে নেয়া কিছু লেখা …

ইসলাম ও আমাদের জীবন - বিভিন্ন সংবাদপত্র থেকে নেয়া কিছু লেখা …

রোজার শুদ্ধতা ও জাকাতুল ফিতর

দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনার (দৈহিক ইবাদতের) পর বিশেষ আর্থিক ইবাদত হলো, জাকাতুল ফিতর বা ফিতরা। গরিবদের ঈদের আনন্দে শরিক হওয়া এবং রোজাকে ত্র“টিমুক্ত করতে ইসলামী শরিয়াহ এটা আবশ্যক করে দিয়েছে। দ্বিতীয় হিজরিতে এটা আবশ্যক করা হয়। পরিবারের সব সদস্যের প থেকে নির্ধারিত হারে সম্পদ অভাবীদের মাঝে বণ্টন করা জাকাতুল ফিতর। এ ফিতরাকে বিভিন্ন হাদিসে সাদাকাতুল ফিতর, জাকাতুল ফিতর, জাকাতুস সওম, জাকাতে রমাজান, জাকাতে আবদান (দেহের জাকাত) ও সদাকাতুর রুউস বলা হয়েছে (আওনুল বারী)।

বিস্তারিত পড়ুন …

ফসলের জাকাত দেয়ার বিধান

ইসলাম বিশ্ববিজয়ী আদর্শ ও পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান। ইসলামেই রয়েছে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক সমস্যার সমাধানসহ ভূমিবিষয়ক সমস্যারও সমাধান। ভূমি একটি রাষ্ট্রের অপরিহার্য উপাদান। ওশোরি ভূমিতে  ওশোর দেয়া মুসলমানদের ওপর ফরজ এবং অনাদায়ে কবিরা গুনাহ।

বিস্তারিত পড়ুন …

জাকাত দিলে সম্পদ বৃদ্ধি পায়

জাকাত ইসলামের অন্যতম মৌলিক একটি ইবাদত। দরিদ্র ও বঞ্চিত মানুষের কল্যাণে জাকাত একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক নিরাপত্তাব্যবস্থা। কিন্তু অনেকেই জাকাতের প্রধান নীতিমালা সম্পর্কে সম্যক অবহিত নন। 

পবিত্র কুরআনের বহুসংখ্যক আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা আমাদের ওপর এ দায়িত্ব অর্পণ করেছেন। কুরআন শরিফের বহু আয়াতে সালাত বা নামাজের নির্দেশের পাশাপাশি জাকাত আদায়ের কথা বর্ণিত হয়েছে। সূরা বাকারায় বর্ণিত হয়েছেÑ ‘মুসলিম নর ও নারী একে অপরের বন্ধু, তারা সৎ কাজের আদেশ দেয় এবং অসৎ কাজে বাধা দেয়, সালাত কায়েম করে, জাকাত আদায় করে এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে। যারা জাকাত আদায় করে না আল্লাহ তাদেরকে কঠিন শাস্তির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

বিস্তারিত পড়ুন …

দান-সদকার ফজিলত

দান-সদকা প্রকাশ্যেও দেয়া যায়, গোপনেও দেয়া যায়। প্রকাশ্যে দিলে অন্য লোকেরাও দানখয়রাত করতে অনুপ্রাণিত হয়, কিন্তু তাতে লোক দেখানোর মনোভাব সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। গোপনে দিলে এই আশঙ্কা থাকে না। হাদিস শরিফে আছে, প্রকাশ্যে দান-সদকাকারী উচ্চৈঃস্বরে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতকারীর মতো। আর গোপনে সদকা-খয়রাতকারী নিচুস্বরে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতকারীর মতো। এই আয়াতের তাফসিরে আল্লামা ইবনে কাসির র: লিখেন, এই আয়াত দ্বারা গোপনে সদকা-দানকারীর ফজিলত প্রমাণিত হয়। এরপর তিনি বুখারি শরিফ ও মুসলিম শরিফে সঙ্কলিত এবং হজরত আবু হুরায়রা রা: কর্তৃক বর্ণিত হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়েছেন।

বিস্তারিত পড়ুন …

হালাল-উপার্জন উত্তম ইবাদত

halalইসলামে ব্যবসায়-বাণিজ্য করা একটি উত্তম কাজ। ব্যবসায় করা আল্লাহ তায়ালার নির্দেশ। এই পৃথিবীতে মানবজাতির হেদায়েতের জন্য প্রেরিত বহু নবী-রাসূল ব্যবসায় করেছেন।  সাহাবায়ে কেরাম, তাবে-তাবেইন, আউলিয়া কেরামেরা ব্যবসায় করেছেন। আমাদের হানাফি মাজহাবের ইমাম হজরত ইমাম আবু হানিফাও র: একজন বিখ্যাত ব্যবসায়ী ছিলেন। ব্যবসায় করা হালাল। ইবাদতের দশ ভাগের নয় ভাগ হালাল খাদ্যের মধ্যে নিহিত। মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেছেন, ‘আল্লাহ তায়ালা ক্রয়-বিক্রয় হালাল (বৈধ) করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন’ (সূরা বাকারা : ২৭৫)।

বিস্তারিত পড়ুন …

আল্লাহর পথে ব্যয়ের ফজিলত

আল্লাহর পথে ব্যয়ের ফজিলতআমাদের সমাজে দেখছি, অনেক মেয়ে চাকরিতে ঢুকলেও তাদের উপার্জনের কিছু অংশ কোনো জনকল্যাণমূলক কাজ বা দ্বীনের পথে খরচ করছেন না। অথচ হজরত খাদিজা রা: কুরাইশদের মধ্যে একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ী ছিলেন। দাওয়াত ও রিসালাতের শুরু থেকেই রাসূলুল্লাহ সা:-কে সাহায্য করে গেছেন। দ্বীনের পথে সব রকমের কষ্ট হাসিমুখে সহ্য করেছেন। কোনো কোনো ঐতিহাসিক বলে থাকেন, রিসালাতের শুরুতে খাদিজা রা:-এর কাছে ২৫ হাজার দিরহাম ছিল, কিন্তু আট-নয় বছরে সঞ্চয়গুলো তিনি দাওয়াতের কাজে বিলিয়ে দিয়েছেন। তা ছাড়া ঈমান আনতে গিয়ে ঘর থেকে বিতাড়িত হওয়া মুসলমানদের তিনি ব্যয়ভার গ্রহণ করতেন।

বিস্তারিত পড়ুন …

সদকাতুল ফিতর ও কিছু নতুন ভাবনা

ঈদুল ফিতরের সঙ্গে ফিতরার একটা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। কেননা ব্যক্তির ওপর ফিতরা ওয়াজিব হয় বলিষ্ঠ মতানুসারে ঈদের দিন সুবহে সাদিকের সময়। আর তা আদায় করতে হয় ঈদের নামাজের আগে। অবশ্য কেউ যদি ঈদের দিনের আগে সদকায়ে ফিতর আদায় করে দেয়, তাহলে এতে শরিয়তের পক্ষ থেকে কোনো আপত্তি নেই।

বিস্তারিত পড়ুন …

জাকাত দেয়া ফরজ

জাকাত ইসলামের মূল ভিত্তির অন্যতম তৃতীয় স্তম্ভ। ঈমানের পরে সালাত অতঃপর জাকাতের স্থান। ঈমানের দাবিদার সাহেবে নেসাব সবার ওপর জাকাত ফরজ। জাকাত শুধু রমাদান (রোজার) মাসেই ফরজ নয়। জাকাত সারা বছরই ফরজ। যখন থেকে বা যে মাসের যে তারিখ থেকে যিনি সাহেবে নেসাব হবেন বা জাকাত দেয়ার যোগ্যতা অর্জন করবেন বা জাকাত দেয়ার মতো অর্থসম্পদের মালিক হবেন, তখন থেকে চন্দ্র বর্ষের হিসেবে এক বছর পূর্ণ হলেই জাকাত দিতে হবে। এটি বছরের মহররম মাস থেকে জিলহজ মাসের মধ্যে যেকোনো মাসেই হতে পারে।

বিস্তারিত পড়ুন …

জাকাতগ্রহিতাকে স্বাবলম্বী করুন

জাকাত ইসলামের পঞ্চ ভিত্তির একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত। জাকাত শব্দের আভিধানিক অর্থ পবিত্র ও বৃদ্ধি। হিজরি দ্বিতীয় সনে মতান্তরে চতুর্থ সনে জাকাত ফরজ হয়। এর আগেও জাকাতের বিধান ছিল। তবে জাকাতের অংশ নির্ধারিত ছিল না। ইসলাম জাকাত অনুমোদন করে সারা বিশ্বের মানুষের মাঝে ভ্রাতৃত্বের সুস্পষ্ট স্বাক্ষর রেখেছে। জাকাতের দ্বারা ধনী ও দরিদ্রের মাঝে কিভাবে বন্ধুত্বের সেতুবন্ধ হয় তা মহানবী সা: বাস্তবে দেখিয়ে গিয়েছেন। পরস্পরের এ বন্ধুত্বকে ইসলামের মহান আদেশ হিসেবে ঘোষণা করেছে। জাকাত সাম্যের জন্য আর্থিক বুনিয়াদ, সমাজ কল্যাণের চাবিকাঠি, রাষ্ট্রীয় উন্নয়নের পৃষ্ঠপোষক।

বিস্তারিত পড়ুন …

মুমিনের জীবনে শৃঙ্খলা আনে প্রতিদান-চিন্তা

মুমিনের জীবনে শৃঙ্খলা আনে প্রতিদান-চিন্তাযেসব মৌলিক আকিদা-বিশ্বাসের ওপর ইসলামের ভিত্তি, তার মধ্যে তাওহিদ ও রিসালাতের পর সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ হলো ‘আখিরাতে বিশ্বাস’। ‘আখিরাতে বিশ্বাস’-এর অর্থ হচ্ছে—মৃত্যুর পর মানুষকে এমন এক স্থায়ী জীবনের সম্মুখীন হতে হবে, যেখানে তার থেকে এই দুনিয়ায় কৃত সব কাজের হিসাব নেয়া হবে। সেই স্থায়ী জীবনকেই আখিরাত বলে। কোরআন মাজিদ এ সত্যের পৌনঃপুনিক ঘোষণা দিয়েছে যে, আখিরাতে মানুষকে তার ভালো কাজের জন্য পুরস্কৃত করা হবে এবং মন্দ কাজের জন্য শাস্তি দেয়া হবে। যেমন ইরশাদ হয়েছে—‘যে ব্যক্তি বিন্দুপরিমাণ সত্কর্ম করবে সে তা (আখিরাতে) দেখতে পাবে এবং যে ব্যক্তি বিন্দুপরিমাণ অসত্ কর্ম করবে সেও তা দেখতে পাবে।’ (সূরা যিলযাল : আয়াত ৭-৮)

বিস্তারিত পড়ুন …