ইসলাম ও আমাদের জীবন

বিভিন্ন সংবাদপত্র থেকে নেয়া কিছু লেখা …

ইসলাম ও আমাদের জীবন - বিভিন্ন সংবাদপত্র থেকে নেয়া কিছু লেখা …

আজানের সময় মুসলমানদের করণীয়

পৃথিবীর সবচেয়ে সুমধুর ধ্বনির নাম আজান—এটি মুসলিম-অমুসলিম-নির্বিশেষে কোটি মানুষের উপলব্ধি। তা হবে না কেন? এ আজান তো সৃষ্টির প্রতি মহান সৃষ্টিকর্তা ও পালনকর্তার আহ্বান। একজন মানুষকে যখন তার মহান মালিকের প্রতি আহ্বান করা হয়, তার উপলব্ধি তখন কেমন হতে পারে? তাই আজানের আওয়াজ শুধু মুসলমানের অন্তরেই নাড়া দেয় না, বরং তা অমুসলিমের অন্তরকেও আকর্ষণ করে। যুগে যুগে যার অজস্র উদাহরণ রয়েছে। হ্যাঁ, হিংসুক ও নিন্দুকের কথা ভিন্ন। আল্লাহর ভাষায়, ‘যার অন্তরে আল্লাহ মোহর মেরে দেন, সে (হেদায়েতের) আলো থেকে বঞ্চিত হবেই। ’

বিস্তারিত পড়ুন …

ইসলামে অভিবাদন কী, কেন ও কিভাবে

মহান সৃষ্টিকর্তা রাজাধিরাজ রাব্বুল আলামীনের পক্ষ থেকে মনোনীত একমাত্র জীবনবিধান ইসলামের মহান আদর্শ, নিয়মনীতি সর্বাপেক্ষা উৎকৃষ্ট, সর্বশ্রেষ্ঠ ও শাশ্বত চিরন্তন, যা কখনো হারিয়ে যাওয়ার নয়। সর্বযুগের সব সমস্যার সমাধানে সক্ষম। স্বয়ংসম্পূর্ণ; কোনো সংযোজন, বিয়োজন, সম্প্রসারণ, সঙ্কোচন, পরিবর্তন, পরিমার্জন থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত। সার্বজনীন; ফলে ওল্ড ভার্সন যেমন নেই, আপডেট ভার্সনও নেই। এটাই ইসলামের মহান অলৌকিকতা ও শাশ্বত চিরন্তন মহাসত্যের পরিচায়ক।

বিস্তারিত পড়ুন …

কোরবানির মাসয়ালা

কোরবানি ফজিলতপূর্ণ একটি ইবাদত। কুরআন ও হাদিসে এর ফজিলত বর্ণনা করা হয়েছে। মিশকাত শরিফের হাদিসে বর্ণিত আছে, একদা হজরত জায়েদ ইবনে আরকাম রা: রাসূলে করিম সা:-এর কাছে জিজ্ঞাসা করলেন, হে আল্লাহর রাসূল সা:, কোরবানি কী? উত্তরে রাসূলুল্লাহ সা: ইরশাদ করলেন, কোরবানি হচ্ছে তোমাদের আদি পিতা হজরত ইবরাহিম আ:-এর জীবনাদর্শ। সাহাবি পুনরায় জিজ্ঞাসা করলেন, কোরবানির ফজিলত কী? রাসূল সা: বললেন, পশুর পশমের পরিবর্তে একেকটি করে নেকি দেয়া হয় (মিশকাত শরিফ : ১/১২৯)।

বিস্তারিত পড়ুন …

হজ পালনে যা জানা জরুরি

জীবনে একবার হজ করা ফরজ আর তাও সচ্ছল সুস্থ ব্যক্তির জন্য। এ কারণে হজের নিয়ম ও মাসয়ালাগুলোকে জটিল মনে হয়। একজন সাধারণ মুসল্লির কাছে সূরা ‘কাফিরুন’কে সূরা ফাতিহার চেয়ে কঠিন মনে হয় এ কারণে যে, সূরা কাফিরুন সব নামাজে পড়তে হয় না বা পড়াও হয় না। আবার নামাজের মাসয়ালা বেশ কঠিন ও বিস্তৃত হওয়ার পরেও অব্যাহত প্রচেষ্টা ও দিনে পাঁচবার অনুশীলনের কারণে মাদরাসায় শিক্ষিত নয় এমন একজন স্বল্পশিক্ষিত সাধারণ নামাজিরও তা আয়ত্তে এসে যায়। কিন্তু হজের বিষয়টি ভিন্ন। যে স্বল্পসংখ্যক লোকের ওপর হজ ফরজ হয়, তাদের অনেকেই সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত এবং বয়সের শেষভাগে হজের প্রাক্কালে এ চিন্তাভাবনা ও অনুশীলন শুরু করেন। তা ছাড়া তারা যে বইগুলো পড়েন এবং যাদের সাহায্য নেন সেখানে তারা ব্যাপক আলোচনা ও বিবিধ নতুন আরবি পরিভাষার সম্মুখীন হন।

বিস্তারিত পড়ুন …

জুমার দিনের ফজিলত

ইমাম অর্থ নেতা, অগ্রবর্তী ব্যক্তি, পথপ্রদর্শক, গুরু বা পরিচালক। শরিয়তের দৃষ্টিতে প্রাপ্তবয়স্ক সমাজের গ্রহণযোগ্য সম্মানিত সৎ সাহসী ব্যক্তি, যার কুরআন তেলাওয়াত সহি-শুদ্ধ, যিনি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সাথে আদায় করেন ও নামাজের মাসয়ালা-মাসায়েল জানা দ্বীনদার মুত্তাকি, যার কুরআন, সুন্নাহ ও ফিকহের মৌলিক ধারণা আছে ও সমাজকে নেতৃত্ব দানে সক্ষম; তিনিই মুসলিম সমাজের ইমাম হবেন ও মসজিদে নামাজের ইমামতি করবেন।

বিস্তারিত পড়ুন …

চোগলখোরি আল্লাহর অপছন্দ

আমাদের সমাজে যত ধরনের পাপ রয়েছে, তার মধ্যে চোগলখুরি অন্যতম। অন্যান্য গুনাহ থেকে মানুষ বিবেকের তাড়নায় অনেক সময় বেঁচে থাকার চেষ্টা করে, কিন্তু চোগলখুরি থেকে মানুষ মোটেও সতর্কতা অবলম্বন করে না। অথচ চোগলখুরি মানুষের ঘৃণিত স্বভাব ও জঘন্য পাপ।

বিস্তারিত পড়ুন …

হজের অবসরে

পবিত্র মক্কা-মদিনায় এমন কিছু জায়গা রয়েছে যেগুলোর এক দিকে রয়েছে ঐতিহাসিক গুরুত্ব, অন্য দিকে সেগুলোর সাথে জড়িয়ে আছে অসংখ্য নবী রাসূলের মহান স্মৃতি। পবিত্র কুরআনের মর্মবাণী উপলব্ধি ও ইতিহাসকে নিখুঁতভাবে বোঝার জন্য এসব জায়গায় ভ্রমণ খুবই উপযোগী। তবে মনে রাখতে হবে, এ ভ্রমণ হজের কোনো আহকাম নয়।

বিস্তারিত পড়ুন …

ধর্মের অবমাননা করবেন না

কিছু ব্যক্তি নিয়মিতভাবে ইসলাম ধর্মের অবমাননা করে বক্তৃতা আর লেখালেখি করছেন। তারা নিজেদেরকে আধুনিক, প্রগতিশীল, মুক্তমনা ও নাস্তিক বলে পরিচয় দেন। মুক্তচিন্তা ও বাক স্বাধীনতার কথা বলে প্রধানত ইসলাম ধর্মের সমালোচনা করেন। তারা ব্লগে ইসলামি মূল্যবোধ, বিশ্বাস এবং এর বিধিবিধানকে কটাক্ষ করে লেখালেখি করেছেন। তারা এই মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তা, পালনর্কতা এবং নিয়ন্ত্রণকর্তা মহান আল্লাহ এবং তার প্রেরিত মানবতার মুক্তিদূত, সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ রাসূল হজরত মুহাম্মদ সা:-কে কটাক্ষ, অবজ্ঞা ও অপমানিত করে থাকেন। একই সাথে তারা ‘পবিত্র’ নিয়ে অবাঞ্ছিত মন্তব্য করেন। ইসলাম অবমাননার কারণে ধর্মপ্রাণ মুসলমানের হৃদয় স্বাভাবিকভাবেই ক্ষতবিক্ষত।

বিস্তারিত পড়ুন …

ইসলামে মেহমান ও মেজবান

ইসলাম সব কিছুর আদব-কায়দা শিক্ষা দিয়েছে। ইসলামে মেহমান ও মেজবানেরও কিছু দায়িত্ব-কর্তব্য রয়েছে। যারা বেড়াতে যান তারা মেহমান, আর যাদের বাড়িতে যান তারা মেজবান। দাওয়াত খাওয়া ও খাওয়ানো দু’টিই সুন্নত। আন্তরিকতাপূর্ণ অনাড়ম্বর দাওয়াতের কথা ইসলাম বলেছে। দাওয়াত দিলে সাধ্যের বাইরে গিয়ে হলেও দামি খাবার খাওয়াতে হবে অথবা অবশ্যই উপহার নিয়ে যেতে হবে- এটা জরুরি নয়।

বিস্তারিত পড়ুন …

কবরে সওয়াব পাওয়ার আমল

মানবজীবনে দু’টি অধ্যায় রয়েছে। একটি দুনিয়া ও অপরটি আখেরাত। আমরা এ জগতে যেসব আমল করব পরকালে বা আখেরাতে তার ফলাফল লাভ করব। দুনিয়াতে মন্দ কাজ করলে পরকালে তারও প্রতিদান পাবো। প্রশ্ন হচ্ছে, আমরা আমল করব কোন পর্যন্ত? আমরা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আমল করার ক্ষমতা রাখি। তার পরে আর রাখি না। কাজেই মালাকুল মউত আসার সাথে সাথে আমাদের সব ইবাদতের রাস্তা বন্ধ হয়ে যাবে। তাই এমন কিছু আমল আমাদের করা প্রয়োজন, যা মৃত্যুর পরেও আমাদের সওয়াব পেতে সাহায্য করে।

বিস্তারিত পড়ুন …