ইসলাম ও আমাদের জীবন

বিভিন্ন সংবাদপত্র থেকে নেয়া কিছু লেখা …

ইসলাম ও আমাদের জীবন - বিভিন্ন সংবাদপত্র থেকে নেয়া কিছু লেখা …

১০ বছরের সঞ্চয়ে হজ করছেন উগান্ডান নারী

দীর্ঘ ১০ বছরের সঞ্চয়। স্মোকড ফিশের (ধূমায়িত মাছ) ব্যবসা করে দিনই চলে না। কিন্তু হজ করার সংকল্প তাকে ওই সামান্য আয় থেকেই সঞ্চয়ে উদ্ধুদ্ধ করেছে। আর তা দিয়েই এবার পবিত্র হজ করছেন উগান্ডার নারী।

বিস্তারিত পড়ুন …

আল্লাহর মেহমানদের সাথে আচরণ

হজ মুসলমানের অন্যতম প্রধান ফরজ ইবাদত। তৌফিক আছে এমন ব্যক্তির জন্য জীবনে অন্তত একবার হজ করা বাধ্যতামূলক। না করে মারা গেলে কঠিন পাপের অধিকারী হতে হবে। এ জন্য প্রতি বছর সারা দুনিয়া থেকে লাখ লাখ মুসলমান হজ করতে বাইতুল্লাহ শরিফে যান। সন্দেহ নেই, একই সময় একটি স্থানে এত লোকের সমাগমে দরকারি নানা রকম আনুষ্ঠানিকতার আনজাম দেয়া অত্যন্ত কষ্টসাধ্য কাজ। কিন্তু তার পরও ইবাদত বলে কথা যারা ওখানে যাবেন এবং যারা আগন্তুকদের খেদমতের আনজাম দেবেন তারা উভয়ই সওয়াবের ভাগিদার হবেন।

বিস্তারিত পড়ুন …

হজ পালনে যা জানা জরুরি

জীবনে একবার হজ করা ফরজ আর তাও সচ্ছল সুস্থ ব্যক্তির জন্য। এ কারণে হজের নিয়ম ও মাসয়ালাগুলোকে জটিল মনে হয়। একজন সাধারণ মুসল্লির কাছে সূরা ‘কাফিরুন’কে সূরা ফাতিহার চেয়ে কঠিন মনে হয় এ কারণে যে, সূরা কাফিরুন সব নামাজে পড়তে হয় না বা পড়াও হয় না। আবার নামাজের মাসয়ালা বেশ কঠিন ও বিস্তৃত হওয়ার পরেও অব্যাহত প্রচেষ্টা ও দিনে পাঁচবার অনুশীলনের কারণে মাদরাসায় শিক্ষিত নয় এমন একজন স্বল্পশিক্ষিত সাধারণ নামাজিরও তা আয়ত্তে এসে যায়। কিন্তু হজের বিষয়টি ভিন্ন। যে স্বল্পসংখ্যক লোকের ওপর হজ ফরজ হয়, তাদের অনেকেই সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত এবং বয়সের শেষভাগে হজের প্রাক্কালে এ চিন্তাভাবনা ও অনুশীলন শুরু করেন। তা ছাড়া তারা যে বইগুলো পড়েন এবং যাদের সাহায্য নেন সেখানে তারা ব্যাপক আলোচনা ও বিবিধ নতুন আরবি পরিভাষার সম্মুখীন হন।

বিস্তারিত পড়ুন …

কুরআন-হাদিসে হজ

ইসলামের পাঁচটি রুকুনের মধ্যে হজ অন্যতম। হজ মানুষের প্রতি মহান আল্লাহ কর্তৃক ফরজকৃত একটি আর্থ-দৈহিক ইবাদত- যা সক্ষম ব্যক্তির ওপর সারা জীবনে কেবল একবারই ফরজ।

বিস্তারিত পড়ুন …

হজের মাসলা-মাসায়েল

হজ হচ্ছে ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি আর্থিক ও শারীরিক ইবাদতও বটে। হজের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে ইচ্ছা করা, সঙ্কল্প করা। শরিয়তের পরিভাষায় হজের মাসগুলোতে বিশেষ কিছু কার্য সম্পাদনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু স্থানের জিয়ারত করাকে হজ বলে।

বিস্তারিত পড়ুন …

হজের অবসরে

পবিত্র মক্কা-মদিনায় এমন কিছু জায়গা রয়েছে যেগুলোর এক দিকে রয়েছে ঐতিহাসিক গুরুত্ব, অন্য দিকে সেগুলোর সাথে জড়িয়ে আছে অসংখ্য নবী রাসূলের মহান স্মৃতি। পবিত্র কুরআনের মর্মবাণী উপলব্ধি ও ইতিহাসকে নিখুঁতভাবে বোঝার জন্য এসব জায়গায় ভ্রমণ খুবই উপযোগী। তবে মনে রাখতে হবে, এ ভ্রমণ হজের কোনো আহকাম নয়।

বিস্তারিত পড়ুন …

হজ বিশ্ব মুসলিম ভ্রাতৃত্বের বন্ধন

হজ আল্লাহপ্রেম ও বিশ্ব মুসলিমের ভ্রাতৃত্ব বন্ধনের অন্যতম পথ। এটি আল্লাহর নির্দেশিত এমন একটি ফরজ বিধান, যা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ এবং ইসলামের অপরাপর বিধান থেকে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। হজে আর্থিক ও কায়িক শ্রমের সমন্বয় রয়েছে, যা অন্য কোনো ইবাদতে এক সাথে পাওয়া যায় না। হজ সারা বিশ্বে মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, সংহতি ও সাম্যের প্রতীক। এ লক্ষ্যে পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হচ্ছে ‘পবিত্র কাবা শরিফে হজ করা সব মুসলমানের কর্তব্য, যারা সেখানে যাওয়ার ক্ষমতা রাখে’ (সূরা আলে ইমরান : ৯৭)।

বিস্তারিত পড়ুন …

হজের ইতিহাস

কাবাঘর নির্মাণ, এর তাওয়াফ, হজ পালন সৃষ্টির আদিকাল থেকে ধারাবাহিকভাবে চলে আসছে। আদি মানব ও মানবী হজরত আদম আ: ও হাওয়া আ: হজ পালন করেন। হজের কিছু কাজ তাঁদের অনুকরণে তাঁদের সন্তানগণ আজো পালন করে যাচ্ছে। কাবাঘর প্রথম নির্মাণ করেছিলেন কে? ফেরেশতাগণ না আদম আ:? এ নিয়ে মতানৈক্য রয়েছে বিজ্ঞজনের মাঝে। ভিন্নতা রয়েছে বর্ণনাগুলোতেও।

বিস্তারিত পড়ুন …

পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দু মক্কা

meccaহজরত আদম আ: থেকে শুরু করে ঈসা আ: পর্যন্ত যত নবী- রাসূল পৃথিবীতে এসেছেন তাঁরা পরিবার, কওম, গোত্র বা নির্ধারিত কোনো অঞ্চলের জন্য এসেছেন; আর বিশ্ববাসীর জন্য এসেছেন মুহাম্মদ সা:। ঈসা আ:-এর পর মুহাম্মদ সা: এর আগমন পর্যন্ত পৃথিবীর কোথাও ধর্মজ্ঞান বা চর্চা ছিল না। আরব ছিল নৈতিকতাবিগর্হিত-শান্তিবিনষ্টকারী কার্যকলাপের অভয়ারণ্য। তারা কন্যাসন্তানকে জীবন্ত কবর দিত। উলঙ্গ হয়ে নারী-পুরুষ কাবাঘর তওয়াফ করত। অসভ্যতা ও বর্বরতায় সে যুগকে আইয়ামে জাহিলিয়াত বলা হতো। অধিবাসীরা জীবজন্তুর চেয়েও অধম জীবন যাপন করত। পৃথিবীর কোথাও মানবীয় মহত্ত্ব ও গুণাবলির কোনো পরিবেশ ছিল না। জল-স্থল-অন্তরীে এক শোকার্ত করুণ অবস্থা বিরাজ করছিল।

বিস্তারিত পড়ুন …