ইসলাম ও আমাদের জীবন

বিভিন্ন সংবাদপত্র থেকে নেয়া কিছু লেখা …

ইসলাম ও আমাদের জীবন - বিভিন্ন সংবাদপত্র থেকে নেয়া কিছু লেখা …

মাতা পিতার মর্যাদা

মাতা-পিতার সাথে সন্তানের উত্তম ব্যবহার দুনিয়া ও আখেরাতের সৌভাগ্যের অন্যতম কারণ। সৃষ্টিকর্তা হিসেবে আল্লাহর পর মানুষের ওপর সবচাইতে বড় অধিকার হল মাতা-পিতার। পবিত্র কুরআনে আল্লাহর অধিকারের সাথে মাতা-পিতার অধিকারের কথা বর্ণনা করছেন স্বয়ং আল্লাহ।

শুধু কি অধিকারের কথাই বলেছেন? না, অধিকারের পাশাপাশি পবিত্র কুরআনে পিতা-মাতার কৃতজ্ঞতা স্বীকারের নির্দেশও দেয়া হয়েছে। আল্লাহতাআলা বলেন, ‘আর তোমার প্রতিপালক নির্দেশ দিয়েছেন যে, তাঁকে ছাড়া অন্য কারো ইবাদত করো না এবং পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার কর। যদি পিতা-মাতার কোনও একজন কিংবা উভয়ে তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হন, তবে তুমি তাদেরকে উফ পর্যন্ত বলো না এবং তাদেরকে ধমক দিও না বরং তাদের সাথে বিনম্রভাবে সম্মাসূচক কথা বল। আর তাদের প্রতি ভক্তি-শ্রদ্ধা মমতাপূর্ণ আচরণের সাথে তাদের সামনে নিজেকে বিনয়াবনত কর। আর দোয়া কর, হে আমার প্রতিপালক! তাদের উভয়ের প্রতি রহমতের আচরণ করুন, যেভাবে তাঁরা শৈশবে আমাকে লালনপালন করেছেন (সূরা বনী ঈসরাইল আয়াত ২৩ ও ২৪)

অন্যত্র আল্লাহ বলেন, ‘আমার কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর এবং তোমার মাতা-পিতারও কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর’ (সূরা লোকমান আয়াত নং-১৪)। ইবনে মাজা হতে বর্ণিত হাদিসে রসূল (স.) বলেছেন, ‘তারাই (পিতা-মাতা) তোমার বেহেশত এবং তারাই তোমার দোযখ’। হাদিসটির মূল কথা হচ্ছে, সন্তান পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার করলে বেহেশতের অধিকারী হবে এবং পিতা-মাতার অধিকারসমূহকে পদদলিত করলে, পিতা-মাতার চেয়ে অন্য কোন মানুষকে, আত্মীয়-স্বজনকে অগ্রাধিকার দিলে দোযখের অধিকারী হবে।

লেখক: দিদার-উল আলম