ইসলাম ও আমাদের জীবন

বিভিন্ন সংবাদপত্র থেকে নেয়া কিছু লেখা …

ইসলাম ও আমাদের জীবন - বিভিন্ন সংবাদপত্র থেকে নেয়া কিছু লেখা …

রসূল(স.)-এর আদর্শই পারে শান্তিময় পৃথিবী উপহার দিতে

প্রচলিত আছে “রবিউল আউয়াল এলে তোমারী গান গাই, রবিউল আউয়াল গেলে তোমায় ভুলে যাই” মূলত: রবিউল আউয়াল মাস রসূলের (স.)- জন্ম ও ওফাতের মাস বিধায় এ মাস আগমন করলে প্রতিবছরই মুমিন হূদয়ে আনন্দের হিল্লোল প্রবাহিত হয় ও শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করে। তবে এ মাসই যে ‘কেবল রসূলের প্রেমে নিবেদন করতে হবে তা কিন্তু নয়, সারা বছর সারা জীবনের জন্য রসূলের প্রেমে নিজেকে সমার্পন করাই রসূলের খাঁটি উন্মতের পরিচয়।

প্রশ্ন: প্রত্যেক বছরের মতো এবারও পবিত্র মিলাদুন্নবী (স.) আমাদের মাঝে রসূল প্রেমের বার্তা নিয়ে হাজির। এ ব্যাপারে আপনার অনুভূতি কি?

উত্তর: একটি গজলে আছে “রবিউল আউয়াল এলে তোমারী গান গাই, রবিউল আউয়াল গেলে তোমায় ভুলে যাই” মূলত: রবিউল আউয়াল মাস রসূলের (স.)- জন্ম ও ওফাতের মাস বিধায় এ মাস আগমন করলে প্রতিবছরই মুমিন হূদয়ে আনন্দের হিল্লোল প্রবাহিত হয় ও শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করে। তবে এ মাসই যে ‘কেবল রসূলের প্রেমে নিবেদন করতে হবে তা কিন্তু নয়, সারা বছর সারা জীবনের জন্য রসূলের প্রেমে নিজেকে সমার্পন করাই রসূলের খাঁটি উন্মতের পরিচয়। আমরা মিলাদুন্নবী (স.) কে স্বাগতম জানাই। কারণ এ মাসে নতুন করে শপথ নিয়ে ঈমানকে উজ্জীবিত করার অনুপ্রেরণা নিহিত।

প্রশ্ন: রসূল (স.) বলেন, আমি আমার পিতা ইব্রাহিম (আ.)-এর দোয়া, হযরত ঈসা (আ.)-এর ভবিষ্যত্ বাণী এবং আমার মায়ের সত্য স্বপ্নের ব্যাখ্যা। এই কথাটি বিশ্লেষণ করবেন কি?

উত্তর: হযরত ইব্রাহিম (আ.) মহানবী (স.)-এর জন্য আল্লাহতায়ালার কাছে দোয়া করেছিলেন, হে আল্লাহ! আমার কওমে আপনি এমন একজন নবী পাঠান যিনি আপনার আয়াতগুলো তেলাওয়াত করে শোনাবে। তাদেরকে কেতাব ও হেকমাত শিক্ষা দেয়া হবে। তাদেরকে পরিশুদ্ধ করবে। এটা আল্লাহতায়ালা কবুল করেন। হযরত ঈসা (আ.) এর ওপর নাজিলকৃত ইঞ্জিল কেতাবে আছে। ঈসা (আ.) তাঁর জাতিকে বলেছিলেন, “মিম বা’আদি ইসমুহু আহমাদ” আমার পরে একজন নবী আছেন যার নাম আহমাদ। এছাড়া রসুল (স.)-এর মা একদিন স্বপ্নে দেখলেন যে, তাঁর পেট হতে একটি আলোকরশ্মি বের হয়ে সিরিয়ার প্রাসাদগুলো আলোকিত করে ফেলেছে। এগুলির ব্যাখ্যাই হলো রসূল (স.)-এর নবী হিসেবে পৃথিবীতে আগমন।

প্রশ্ন: শিশু বেলা হতেই মহানবীর মাঝে নবীসূলভ ভাবগাম্ভীর্য পরিদৃষ্ট হতো। এ বিষয়ে আপনার অভিমত কি?

উত্তর: ছোটবেলা হতেই মহানবী (স.)-এর মধ্যে নবীসূলভ অনেক অবস্থা গোচরীভূত হতো। যেমন তিনি সব সময় থাকতেন সৌম্য শান্ত, ধীরস্থির, ভাবগাম্ভির্যপূর্ণ। অহেতুক কথা বলতেন না। অন্য শিশুদের মত দৌড়-ঝাপ, চেচামেচী ইত্যাদি করতেন না।

প্রশ্ন: কি কারণে “হিলফুল ফুযুল” গঠিত হয়েছিল? মহানবী (স.) কেন এই সংগঠনে যোগ দিয়েছিলেন?

উত্তর: ফজল নামক এক ব্যক্তি এই সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। মহানবী (স.) কিশোর অবস্থায় তাঁর চাচা আব্বাসের সাথে হরবুল ফুজ্জার যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে বিজয়ী হয়েছিলেন। যুদ্ধ শেষ করে ভাবলেন যে, সমাজ থেকে যুদ্ধ বিগ্রহ বন্ধ করতে হলে একা একা সম্ভব নয়। সে কারণে তিনি এমন একটি সংঘবদ্ধ সংগঠনের কথা ভাবছিলেন। যারা সমাজ থেকে যুদ্ধ, বিগ্রহ চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, রাহাজানি, লুটতরাজ জেনা ব্যাভিচার বন্ধ করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। হিলফুল ফুযুলের শপথ নামায় এসব কথাগুলোর সন্নিবেশ ঘটায় মহানবী (স.) অবিলম্বে এই সংগঠনের সদস্য হয়ে তাবত অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। কিন্তু আশাতীত সফুল পাওয়া সম্ভব হয়নি।

প্রশ্ন: মহানবী (স.)-এর সঙ্গে হযরত খাদিজা (রা.)-এর যখন বিবাহ সংঘটিত হয় তখন মুহাম্মদ (স.)-এর বয়স তাঁর চেয়ে ১৫ বছর কম। এ বিয়ের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে কিছু বলুন

উত্তর: রসূল (স.)-এর যশ খ্যাতি সেই বাল্যবেলা হতেই সবার মুখে মুখে ছিল। সে সময় তিনি আল আমিন, আস সাদিক উপাধী পেয়েছিলেন। মক্কায় যদি একজন ব্যক্তিকে বিশ্বাস করা যায় তিনি ছিলেন মুহাম্মদ (স.)। হযরত খাদিজা (রা.)-এর পিতা খুয়াইলিদের ইন্তেকালের পর হতে তিনি তাঁর ব্যবসা দেখার জন্য একজন বিশ্বস্ত লোক খুঁজছিলেন। অবশেষে মহানবী (স.)-এর সাথে পরিচয় এবং তাঁর কাজে মুগ্ধ হয়ে দাসী নফিসা কর্তৃক বিবাহের প্রস্তাব। রসূল (স.) চাচা আবু তালিবের পরামর্শে এই বিবাহে সম্মতি জ্ঞাপন করেন। তখন রসূল (স.)-এর বয়স ২৫ বছর। খাদিজা (রা.)-এর বয়স ৪০ বছর।

প্রশ্ন: মহানবী (স.) গারে হিরা থেকে প্রকম্পিত অবস্থায় ঘরে ফিরে এলেন। এর পর কখন বুঝতে পারলেন যে, তিনি আল্লাহর নবী?

উত্তর: নবুওয়াতের পূর্বে মুহাম্মদ (স.) দীর্ঘ দিন যাবত্ হিরা গুহায় ধ্যানমগ্ন অবস্থায় অতিবাহিত করেন। অবশেষে যখন তার বয়স ৪০ হয় তখন হঠাত্ একদিন জ্যোতির্ময় ফেরেশতা জিব্রাইল (আ.) তাঁর সান্নিধ্যে এলেন। ফেরেশতা তাঁর উপর সূরা আলাকের ১-৫ আয়াত পর্যন্ত নাজিল করলেন। এরপর কাঁপতে কাঁপতে বাড়ীতে এলেন। পরের দিন সকাল বেলা খাদিজা (রা.) মহানবী (স.) কে তাওরাত বিশেষজ্ঞ ওয়ারাকা বিন নওফেলের কাছে নিয়ে যান। তিনি রসূল (স.) কে নবী হিসেবে ঘোষণা দেন এবং তাকে সকল প্রকার সাহায্যের হাত সম্প্রসারিত করার কথা ব্যক্ত করেন।

প্রশ্ন: রসূল (স.) নবুওয়াত পাওয়ার পর গোপনে তিন বছর দাওয়াত দেন। এরপর সাফা পাহাড়ে প্রকাশ্যে দাওয়াতের সময় কাফেরদের বিরোধীতার মূল কারণ কি ছিল?

উত্তর: তাদের বিরোধীতার মূল কারণ ছিল একাত্ববাদ নিয়ে। তারা মূলত: বহু ইলাহ্ এর উপর বিশ্বাসী ছিলো। বহু দেবদেবীর পূজা অর্চনা করতো। মহানবী (স.) যখন তাদের মাঝে এক ইলাহ্ এর কথা বললেন তখন শুরু হলো বিরোধিতা।

প্রশ্ন: মহানবী (স.)-এর দাওয়াত স্তব্ধ করার জন্য তারা কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল?

উত্তর: যখন অবিশ্বাসীরা দেখলো মুহাম্মদ (স.) তাদের পূর্ব পুরুষদের প্রথা বিরোধী দাওয়াত শুরু করেছে। তখন এটা স্তব্ধ করার জন্য প্রথম দিকে তাঁর চলার পথে কাটা বিছিয়ে রাখা হতো। নামাজরত অবস্থায় উটের নাড়ি ভুঁড়ি মাথায় চাপিয়ে দেয়া হতো। কবি, জাদুকর, পাগল ইত্যাদি বলে তাকে মানসিকভাবে কষ্ট-যন্ত্রণা দেওয়া হতো। এরপর নানা প্রলোভন দেখানো হয়েছিল। যেমন সুন্দরী-নারী, নেতৃত্ব ও অর্থ সম্পদ দিতে চাওয়া। মহানবী (স.) তাদের ঐ সমস্ত প্রস্তাবের বিপরীতে চাঁদ সূর্য দিলেও দাওয়াত বন্ধ করবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন।

প্রশ্ন: মহানবী (স.)-এর শাহাদত আঙ্গুলের ইশারায় আকাশের চন্দ্র দ্বি-খন্ডিত হয়। বিষয়টি পরিষ্কার করে বলবেন কি?

উত্তর: এটা রসূল (স.)-এর একটি অন্যতম মু’জিজা। আল্লাহর প্রেরিত নবী রসূলেরা তাদের নবুওয়াতের সত্যতা প্রমাণ উপস্থাপনের জন্য আল্লাহর সাহায্যে কিছু কিছু ম’জিজা প্রদর্শন করেছেন। এটা ছিল তেমন একটি ঘটনা। অবিশ্বাসীরা বলেছিল, মুহাম্মদ (স.) আপনি যদি আকাশের পূর্ণিমার চন্দ্রটিকে দ্বিখন্ডিত করতে পারেন তাহলে অবশ্যই আমরা তোমার নবুওয়াত বিশ্বাস করবো। তখন আল্লাহর নির্দেশে শাহাদত আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করা মাত্র চন্দ্র দ্বি-খন্ডিত হয়ে এক খন্ড সাফা পাহাড়ে আরেক খন্ড মারওয়া পাহাড়ে এসে পড়ল। তখন অবিশ্বাসীরা এটা জাদু বললো। কুরআনের সূরা কামারের ১,২,৩ আয়াতে বলা হয়েছ্লে “কেয়ামত নিকটবর্তী হয়ে গেছে এবং চন্দ্র বিদীর্ণ হয়েছে। কিন্তু এরা কোন নিদর্শন দেখলে তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং বলে এটাতো চিরাচরিত জাদুকরী ব্যাপার। এমনিভাবে তারা সত্য অস্বীকার করে এবং খেয়াল-খুশির অনুসরণ করে চলে’। ১৯৬৯ সালে নীল আর্মসট্রং, মাইকেল কলিঞ্চ এডউইন অলড্রিন চাঁদে গিয়ে ফাটলের চিহ্ন দেখতে পান। এখানে নীল আর্মস্ট্রং একটি মৃদু আওয়াজ শোনেন। অবশেষে পৃথিবীতে নেমে আসেন এবং তাঁর মিশর সফরকালে হঠাত্ ঐ একই আওয়াজ শুনে বিস্ময়ে বিমূঢ় হয়ে পড়েন। খোঁজ নেন এটা কিসের আওয়াজ? পরে জানলেন মুসলমানদের আজানের আওয়াজ। তখন তিনি মুসলমান হয়ে যান।

প্রশ্ন: রসূল (স.)-এর মদীনার সনদকে কি পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান বলা যাবে? বিশ্লেষণ করবেন।

উত্তর: মওলানা আকরাম খাঁ তার মোস্তফা চরিতে এটাকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবিধান বলে উল্লেখ করেছেন। সুতরাং মদীনার সনদকে পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম লিখিত সংবিধান বলা যায়।

প্রশ্ন: সিরাতুন্নবী (স.) ও মিলাদুন্নবী (স.) এর মধ্যে পার্থক্য কি? মিলাদুন্নবী (স.) -এর সাথে ঈদ শব্দ যোগ করে ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) বলা যাবে কি-না?

উত্তর: শাব্দিক দিক থেকে সিরাত অর্থ জীবন চরিত। আর সিরাতুন্নবী (স.) অর্থ নবী (স.) এর জীবন চরিত। আর মিলাদ অর্থ জন্মোত্সব বা জন্ম বৃত্তান্ত। মিলাদুন্নবী (স.) অর্থ নবী (স.) এর জন্মোত্সব বা জন্ম বৃত্তান্ত। নিশ্চয় পার্থক্যটা নিরূপিত হলো। সিরাতুন্নবী (স.) বললে তাঁর সমগ্র জীবন চরিতই এর মধ্যে থেকে যায় এমন কি মিলাদুন্নবী (স.)ও এর মধ্যে রয়েছে। কিন্তু কেবলমাত্র মিলাদুন্নবী (স.) রসূল (স.) সমগ্র জীবনের একটি পার্ট বা অধ্যায়। আর ঈদ অর্থ হলো আনন্দ। যেহেতু তিনি আমাদের আদর্শ। আমাদের শাফায়াতের কান্ডারী। তার আগমন নিশ্চয় আমাদের কাছে আনন্দের বিধায় ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) বলা হয়। তবে রসূল (স.)-এর অন্য হাদীসে যে বলা হয়েছে, ‘তোমাদের জন্য আল্লাহ দু’টি ঈদ দিয়েছেন একটি ঈদুল ফিতর অন্যটি ঈদুল আজহা। এটা ঐ ঈদের মত নয়।

প্রশ্ন: ইসলামে কারো জন্ম দিবস ও মৃত্যু দিবস বা ওফাত দিবস পালন করার বিধান আছে কি? কখন থেকে এটার প্রচলন হয়েছে?

উত্তর: ইসলামে জন্ম দিবস, ওফাত দিবস বা মৃত্যু দিবস পালন উপলক্ষে আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানাদির আয়োজন করার বিষয়টি পরিষ্কার নয়। তবে এদিনে দোয়া করা যাবে, আল্লাহর কাছে পানাহ চাওয়া যাবে। তাছাড়া ইসলাম কোন অনুষ্ঠান সর্বস্ব ধর্ম নয় যে, অনুষ্ঠান করলেই সবকিছু পাওয়া যাবে।

প্রশ্ন: বিদায় হজ্বের নির্দেশনা মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত তাত্পর্যমন্ডিত। এ ব্যাপারে কিছু বলুন

উত্তর: বিদায় হজ্বের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ ছিল ‘আজ যারা এখানে উপস্থিত তারা অনুপস্থিত ব্যক্তিদের কাছে আমার কথাগুলো পৌঁছে দেবে যদি সেটা একটি কথাও হয়।’ ‘আজ থেকে সুদকে হারাম করে দেওয়া হলো।’ ‘তোমাদের স্ত্রীদের সাথে ভাল ব্যবহার করবে।’ ‘দাসত্ব প্রথা রহিত করা হলো।’ তোমাদের মাঝে দুটি জিনিস রেখে যাচ্ছি যা আঁকড়ে ধরলে কখনোই প্রথভ্রষ্ট হবে না। তাহলো কুরআন ও হাদীস।

প্রশ্ন: রসূল (স.) ইন্তেকালের পূর্ব মুহূর্তে উম্মতদের জন্য কি ওছিয়াত করেছিলেন। তাঁর জানাযা কিভাবে হয়েছিল এবং কেন দাফনকার্য তিনদিন দেরী হয়েছিল?

উত্তর: ৬৩২ খ্রীষ্টাব্দের ১২ই রবিউল আউয়াল ৬৩ বছর বয়সে তিনি ইন্তেকাল করেন। ইন্তেকালের পূর্বে তিনি ‘আস্সলাত, আস্সলাত, অমা মালাকাত আয়মানুকুম অর্থাত্ নামাজ’, নামাজ, তোমাদের অধীনস্তদের ব্যাপারে সাবধান থেকো, এই কথা বলতে বলতে চিরনিদ্রায় শায়িত হয়ে যান। এরপর তাঁর জানাযায়, সাহাবীরা যার যার মত আসেন এবং ভিন্ন ভিন্নভাবে নামাজ আদায় করে চলে যান। তার জানাযায় কেউ ইমামতি করেননি। কারণ তিনিই তো সকল নবী-রসূল মুত্তাকিনদের ইমাম। তাই তাঁর ওপর ইমামতি করা কারো জন্য শোভনীয় ছিল না। দাফন ক্রিয়া বিলম্ব হওয়ার কারণ হলো খেলাফত সমস্যার সমাধান হতে দেরী হওয়া।

লেখক: ড.মো.আতাউর রহামান মিয়াজী, প্রফেসর, ইস:ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ,ঢাবি