ইসলাম ও আমাদের জীবন

বিভিন্ন সংবাদপত্র থেকে নেয়া কিছু লেখা …

ইসলাম ও আমাদের জীবন - বিভিন্ন সংবাদপত্র থেকে নেয়া কিছু লেখা …

সাম্য ও মানবতা প্রতিষ্ঠায় মহানবী সা:

বিশ্বমানবতার মুক্তির দূত হজরত মুহাম্মদ সা:-এর আগমনের পূর্বযুগটি ছিল দলাদলি, হানাহানি ও রক্তারক্তির। মানুষে মানুষে ছিল রক্ত, বর্ণ, ভাষা ও আভিজাত্যের দুর্লঙ্ঘনীয় প্রাচীর। সমাজ ছিল তখন পশুত্ব ও পৌত্তলিকতার নিবিড় অন্ধকারে আচ্ছাদিত। মানুষ ছিল তখন শান্তিহারা, অধিকারহারা, নির্মমভাবে অত্যাচারিত ও নিপীড়িত। ঠিক সেই মুহূর্তে জাহেলি যুগের অবসানকল্পে মহানবী সা:-এর আগমনই ছিল মানবকুলের জন্য অপূর্ব নিয়ামত, রহমত ও চিরন্তন শান্তির মহান সওগাত। তাঁর আবির্ভাবে প্রবাহিত হলো মানবসমাজে শান্তি, সততা ও মমতার শীতল হাওয়া। গড়ে উঠল মানুষে মানুষে সাম্য, মৈত্রী, মানবতা ও ভ্রাতৃত্বের মহান বন্ধন। স্বীকৃতি পেল মহান আল্লাহর প্রভুত্ব।

প্রিয় নবী সা: মানবতার সার্বিক কল্যাণ সাধনের জন্য তাগিদ করে বিদায় হজের ঐতিহাসিক ভাষণে বলেছেন ‘হে লোক সকল! নিঃসন্দেহে তোমাদের প্রতিপালক এক, তোমাদের পিতা এক। অনারবির ওপর আরবির প্রাধান্য নেই এবং আরবির ওপর অনারবির কোনো ধরনের প্রাধান্য নেই। শ্রেষ্ঠত্বের একমাত্র ভিত্তি হলো তাকওয়া বা খোদাভীতি’ (মুসনাদে আহমদ ইবনে হাম্বল)।

এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন ‘হে মানবজাতি! আমি তোমাদেরকে একজন পুরুষ ও একজন নারী থেকে সৃষ্টি করেছি এবং তোমাদেরকে বিভিন্ন সম্প্রদায় ও গোত্রে বিভক্ত করেছি। যেন তোমরা পরস্পরকে চিনতে পারো। নিশ্চয়ই তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই আল্লাহর নিকট অধিক সম্ভ্রান্ত, যে সর্বাধিক খোদাভীরু’ (সূরা হুজরাত-১৩)।

এই আয়াতে আল্লাহ তায়ালা দেশ, ভাষা, বংশ-বর্ণ ও ধনসম্পদ ইত্যাদির ভেদাভেদকে উপো করে একমাত্র দ্বীন ও পরহেজগারিকেই মানবজাতির সম্মান ও মর্যাদার মানদণ্ড সাব্যস্ত করেছেন।

রাসূল সা: আরো বলেছেনÑ ‘নিশ্চয়ই মহান রাব্বুল আলামিন তোমাদের জাহেলি যুগের বংশগত সব গর্ব-অহঙ্কারকে বিদূরিত করেছেন। প্রকৃতপে মানবজাতি দুই শ্রেণীতে বিভক্ত। হয়তো মুত্তাকি মুমিন, আর না হয় হতভাগা পাপিষ্ঠ। তোমরা সবাই আদম সন্তান, আর আদম হলেন মাটির সৃষ্টি’ (আবু দাউদ শরিফ-২/৩৪১)।

বিশ্বনবী সা:-এর এই ঐক্য, মৈত্রী, ভ্রাতৃত্ব ও মানবতার নজির দুনিয়ার আর কোনো বংশ ও মতবাদে পাওয়া যাবে নাÑ এ কথা কারো অস্বীকার করার উপায় নেই। যদিও সাম্য ও মানবতা প্রতিষ্ঠার দোহাই দিয়ে সমাজতন্ত্রবাদীরাও একটি মতবাদ প্রচার করে থাকেন। কিন্তু ইতিহাস তাদের এ আশা নিষ্ফল প্রমাণ করেছে। 

মহানবীর সাম্য ও ইনসাফ : প্রকৃতপে সাম্য ও ইনসাফ যে নবী আনীত ধর্ম ইসলামেরই বিশেষ বৈশিষ্ট্য, এর অসংখ্য প্রমাণ ও উদাহরণ থেকে নিম্নে কয়েকটি উল্লেখ করা হলো 

১. বিচারিক সাম্য প্রতিষ্ঠায় রাসূল সা:-এর নির্দেশ : উম্মুল মুমিনিন হজরত আয়েশা রা: থেকে বর্ণিত আছে, কুরাইশ বংশের একজন মহিলা চুরিতে ধরা পড়লে বিচারে তার হাত কাটার সিদ্ধান্ত হলে রাসূল সা:-এর বিশ্বস্ত ও অনুরাগী সাহাবি হজরত উসামা রা:কে নবী সা:-এর খেদমতে পাঠানো হয়। উসামা রা: সেই মহিলার ব্যাপারে সুপারিশ করলে রাসূল সা: অত্যন্ত অসন্তুষ্ট স্বরে বললেন ‘স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা যে শাস্তি নির্ধারণ করে দিয়েছেন, তাতেও কি তুমি সুপারিশ করার স্পর্ধা রাখো?’

অতঃপর রাসূল সা: দাঁড়িয়ে সাহাবিদের উদ্দেশে ভাষণ দিলেন। তিনি বলেন, ‘তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতেরা এ জন্যই ধ্বংস হয়ে গেছে যে, যখন তাদের মধ্যে কোনো বিত্তশালী কিংবা উচ্চপদস্থ লোক চুরির অপরাধে অভিযুক্ত হতো, তখন তাকে বেকসুর খালাস দেয়া হতো। কিন্তু যখন কোনো সাধারণ লোক ওই অপরাধে ধৃত হতো, তখন সর্বসম্মতিক্রমে তার ওপর আদেশ জারি করা হতো। খোদার কসম! মুহাম্মদের কন্যা ফাতেমাও যদি চুরি করত, তাহলে আমি নির্দ্বিধায় তার হাত কেটে দিতাম’ (সহি মুসলিম-২/৬৪)।

২. সাম্য প্রতিষ্ঠায় রাসূল সা:-এর নীতিমালা : হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা: থেকে বর্ণিত, ‘ঐতিহাসিক বদরযুদ্ধে (আরোহীর অভাবে) বিশ্বনবী মুহাম্মদ সা:, হজরত আলী রা:, হজরত আবু লুবাবা রা: তিনজনই পালাক্রমে একটি উটের ওপর আরোহণ করে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে যখন রাসূল সা:-এর উট টানার পালা আসত, তখন রাসূল সা:-এর হুকুমে সাহাবি হজরত আলী ও আবু লুবাবা উটে আরোহণ করতেন। অতঃপর হজরত আলী ও আবু লুবাবা উট টানলে রাসূল সা: উটে আরোহণ করতেন’ (তাবকাতে ইবনে সা’দ-২/২১)।

এ রকম সাম্য, ইনসাফ ও সদ্ব্যবহারের নজির দুনিয়ার আর কোনো ধর্মে কিংবা মতবাদে পাওয়া যাবে কি?

৩. দাসদাসীর অধিকার সম্পর্কে রাসূল সা:-এর নির্দেশ : মহানবী সা: ইরশাদ করেন ‘নিশ্চয়ই তোমাদের দাস তোমাদেরই ভাই। আল্লাহ এদেরকে তোমাদের অধীনস্থ করে দিয়েছেন। অতএব, তোমরা যা খাবে তাদেরকেও সে খাবার দেবে। আর তোমরা যা পরিধান করবে, তাদেরকেও তা পরিধান করাবে’ (সহি বুখারি-১/৩৪৬)।

এভাবে তিনি আপন চাকর-নোকরকে সাথে বসিয়ে আহার করার নির্দেশ দিয়েছেন (সহি বুখারি-১/৫২)।

হজরত উবাদা ইবনে অলিদ রা: বর্ণনা করেনÑ ‘আমি এবং আমার পিতা বিদ্যার্জনের জন্য বের হলাম। আবু ইয়ুসর নামক স্থানে মহানবী সা:-এর একজন সাহাবির সাথে আমাদের সাাৎ হলো। আমরা দেখলাম তার সাথে একজন খাদেমও আছেন। তিনি একটি দামি চাদর ও একটি মোয়াফেরি কাপড় পরে আছেন এবং খাদেমকেও তাই পরিয়েছেন। বললাম, চাচা! আপনার চাদরটি তাকে দিয়ে তার মোয়াফেরি কাপড়টি আপনি নিয়ে নিলে উভয়ের একটি পূর্ণ পোশাক হয়ে যেত। তখন আবু ইয়ুসর মাথায় হাত রেখে বললেন আল্লাহ এতে বরকত দান করুন, ভাতিজা আমার এ চরণযুগল দেখেছে, এ কর্ণযুগল শুনেছে যে নবী সা: বলেছেন তোমরা যা খাও তাদেরকেও তা খাওয়াবে। আর তোমরা নিজে যা পরিধান করো তাদেরকেও তা পরিধান করাবে’ (আদাবুল মুফরাদ)।

মহানবী সা:-এর বিশ্বস্ত সাহাবি দ্বিতীয় খলিফা হজরত উমর রা: একবার বলেছিলেনÑ ‘ওই জাতির ওপর আল্লাহর লানত, যারা নিজেদের খাদেমদের নিয়ে একসাথে খেতে ঘৃণাবোধ করে। আমরা এ ঘৃণাবোধ করি না। অধিকন্তু নিজেদের ওপরও আমরা তাদের প্রাধান্য দিয়ে থাকি’ (আদাবুল মুফরাদ)।

এ প্রসঙ্গে ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণারে লিখিত হজরত উমর রা:-এর সিরিয়া অভিমুখে সফর কাহিনী সবিশেষ উল্লেখযোগ্য। একদা খলিফাতুল মুসলিমিন হজরত উমর রা: ও আপন দাস পালাক্রমে একটি উটের ওপর আরোহণ করে যাচ্ছিলেন। হজরত উমর রা: যখন গন্তব্যস্থলে পৌঁছার উপক্রম হলেন, তখন দেখা যায় খলিফাতুল মুসলিমিনের আগমনে সংবর্ধনা জ্ঞাপনের লক্ষ্যে মুসলিম সৈন্যরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। খলিফার শান-মান, জাঁকজমক ও আড়ম্বর দেখার জন্য তথায় উপস্থিত হলেন আরো অনেক অমুসলিম। দূর থেকে সবাই দেখতে পেলেন ধুলাবালুর অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আসছে একটি উট।

উটের পিঠে একজন মানুষ আরেকজন উটটির লাগাম ধরে সম্মুখপানে টেনে নিচ্ছেন। দূর থেকে দৃশ্যটি অবলোকন করে অমুসলিমদের এক ব্যক্তি কোনো এক মুসলিমকে জিজ্ঞেস করল, ‘উটের আরোহী লোকটি কি তোমাদের খলিফা? উত্তরে মুসলিম ব্যক্তি বললেনÑ না, বরং আমাদের খলিফা তিনিই যিনি উটের লাগাম ধরে টানছেন। আর উটের আরোহী ব্যক্তি তার খাদেম।’

আমিরুল মুমিনিন হজরত উমর রা:-এর এই নজিরবিহীন সাম্য ও ইনসাফের নমুনা দেখে উপস্থিত লোকজন হতভম্ব হয়ে পড়েন। (রাহমাতুল্লিল আলামিন, কাজী সোলাইমান মনসুরপুরী রহ: ৩/৪৮১)।

৪. মুসলমানদের পারস্পরিক অধিকার সম্পর্কে মহানবী সা:-এর নির্দেশ : হজরত আবু মুসা আশয়ারি রা: বর্ণনা করেন, ‘একজন মুসলমান অন্য মুসলমানের জন্য ইমারতের মতো, যার একটি অংশ অপর অংশটিকে শক্তিশালী করে’ (সহি বুখারি ও মুসলিম; মেশকাত ৪২২ পৃষ্ঠা)।

অন্য হাদিসে আছেÑ নবী করিম সা: আরো ইরশাদ করেন, ‘সেই ব্যক্তি প্রকৃত মুমিন হতে পারে না, যে নিজের জন্য যা পছন্দ করে অন্যের জন্য তা করে না’ (সহি বুখারি ও মুসলিম; মেশকাত ৪২২ পৃষ্ঠা)।

আরো একটি হাদিসে আছে রাসূল সা: বলেছেন, ‘একজন মুসলমানের প্রতি অন্য মুসলমানের ছয়টি হক রয়েছে ১. যখন তুমি মুসলমান ভাইয়ের সাথে সাক্ষাৎ করবে, তাকে সালাম দেবে।

২. যখন সে তোমাকে (কোনো প্রয়োজনে) দাওয়াত করে, তুমি তা কবুল করবে।

৩. যখন সে তোমার কাছে সাহায্য চায়, তখন তুমি তাকে সাহায্য করবে।

৪. যখন সে হাঁচির পর আলহামদুলিল্লাহ বলবে, তার জবাবে ইয়ারহামুকাল্লাহ বলবে।

৫. যখন সে অসুস্থ হয়, তাকে দেখতে যাবে।

৬. যদি তার মৃত্যু হয় তবে তার জানাজার সাথে গমন করবে’ (তিরমিজি; মেশকাত ৩৯৮ পৃষ্ঠা)।

রাসূল সা: পরস্পরে মমত্ববোধ প্রসারে তাগিদ দিয়ে বলেন ‘তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না, যে পর্যন্ত না তোমরা মুমিন হও। আর প্রকৃত মুমিন হতে পারবে না, যে পর্যন্ত না একে অপরকে ভালোবাসো। আর আমি তোমাদের সেই পন্থা বলে দেবো না, যা অবলম্বন করলে তোমরা একে অপরকে ভালোবাসতে শুরু করবে? (সেই পন্থা এই যে) পরস্পরের মধ্যে সালামের প্রসার করো’ (মেশকাত ৩৯৭ পৃষ্ঠা)।

৫. মাতাপিতার অধিকার সম্পর্কে প্রিয় নবীর নির্দেশ : ‘এক ব্যক্তি রাসূল সা:’কে জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার ভালো ব্যবহারের সবচেয়ে বড় হকদার কে? তিনি ইরশাদ করলেন, তোমার মা। লোকটি আবার প্রশ্ন করল, তারপর কে? তিনি পুনরায় বললেন, মা। লোকটি পুনরায় জিজ্ঞেস করল, তারপর কে? রাসূল সা: উত্তরে বললেন, মা। লোকটি আবার জিজ্ঞেস করল, তারপর কে? রাসূল সা: জাবাবে বললেন, তোমার পিতা’ (রিয়াদুস সালেহিন ১৫৩ পৃষ্ঠা)।

রাসূল সা: ইরশাদ করেন, ‘সে ব্যক্তি অপমানিত হোক, সে ব্যক্তি অপমানিত হোক, সে ব্যক্তি অপমানিত হোক, যে তার পিতামাতা উভয়কে অথবা তাদের কোনো একজনকে বৃদ্ধাবস্থায় পেয়েছে, অথচ তাদের খেদমত করে জান্নাতে প্রবেশের ব্যবস্থা করেনি’ (রিয়াদুস সালেহিন ১৫৩ পৃষ্ঠা)।

রাসূল সা: আরো ইরশাদ করেন, ‘পিতার সন্তুষ্টির মধ্যেই নিহিত রয়েছে মহান রাব্বুল আলামিনের সন্তুষ্টি। আর পিতার অসন্তুষ্টির মধ্যেই রয়েছে প্রতিপালকের অসন্তুষ্টি’ (তিরমিজি; মেশকাত ৪১৯ পৃষ্ঠা)।

তিনি আরো বলেন, ‘মাতাপিতার খেদমত করো। কারণ তাদের পদতলেই রয়েছে বেহেশত’ (তিরমিজি; মেশকাত ৪২১ পৃষ্ঠা)।

৬ . প্রতিবেশীর অধিকার সম্পর্কে মহনবী সা: নির্দেশ : প্রতিবেশীর প্রতি যতœবান হওয়ার প্রতি তাগিদ করে রাসূল সা: বলেন, ‘সেই ব্যক্তি প্রকৃত মুমিন নয়, যার অত্যাচার থেকে প্রতিবেশী নিরাপদ নয়’ (মেশকাত ৪২৪ পৃষ্ঠা)।

আরেকটি হাদিসে আছে, নবী করিম সা: ইরশাদ করেছেন, ‘হে আবুজর! যখন তুমি বেগুন রান্না করবে, তখন ঝোল একটু বাড়িয়ে দিয়ো এবং তোমার প্রতিবেশীর খবর নিয়ো’ (রিয়াদুস সালেহিন ১৪৯ পৃষ্ঠা)।

বস্তুত প্রিয়নবী সা:-এর প্রতিটি বাণী সাহাবায়ে কেরাম শুধু কণ্ঠস্থ করেছেন তা-ই নয়, বরং তাঁর প্রতিটি কথার ওপর অরে অরে আমলও করেছেন। ফলে তাদের মনের জগতে এক বিপ্লব সাধিত হয়ে বিস্ময়কর দৃষ্টান্ত উপস্থাপিত হয়েছে। মানুষ অন্য মানুষের জন্য আল্লাহর রহমতস্বরূপ উপস্থিত হয়েছে।

কল্যাণবাদী মানুষদের সমন্বয়ে একটি আশ্চর্যজনক কল্যাণবাদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। এই বিশ্ববাসীকে বিস্মিত করেছে। এমনকি এই সমাজের লোকেরা যখন ব্যবসায় করেছেন, তখন তারা পূর্ণ সততা ও আমানতদারির সাথে তা করেছেন। যখন তারা বিচারক মনোনীত হয়েছেন, তখন তারা সুবিচার করেছেন। আর যখন যুদ্ধ করেছেন, তখন যুদ্ধে মানবাধিকারের প্রতি যতœবান ছিলেন। যখন তারা রাজনীতি করেছেন, তখন জনকল্যাণেই করেছেন। আর যখন রাষ্ট্রমতা পেয়েছেন, তখন রাষ্ট্রকে কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করেছেন।